Logo
বাংলাদেশ[bangla_day] , [english_date]
  1. অনিয়ম
  2. অপরাধ
  3. অপহরণ
  4. অর্থনীতি
  5. আইন শৃঙ্খলা
  6. আইন-আদালত
  7. আওয়ামীলীগ
  8. আন্তর্জাতিক
  9. আলীকদম
  10. ইতিহাস ও গল্প

পার্বত্য চট্টগ্রামের সকল জাতিসত্তার অধিকার রক্ষায় ঐক্যের আহ্বান কে এস মং-এর

আরাফাত খাঁন
আপডেট : April 16, 2026
Link Copied!

পার্বত্য চট্টগ্রামের সকল জাতিসত্তার অধিকার রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের সদস্য শ্রী কে এস মং।

বান্দরবানের রোয়াংছড়ি উপজেলায় মারমা সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী বর্ষবরণ উৎসব ‘মাহা সাংগ্রাই পোয়ে’ উপলক্ষে বর্ণাঢ্য জলকেলি (মৈত্রী পানিবর্ষণ), সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও কনসার্ট অনুষ্ঠিত হয়েছে। উৎসবমুখর পরিবেশে আয়োজিত এ অনুষ্ঠান এক প্রাণবন্ত মিলনমেলায় পরিণত হয়।

রোয়াংছড়ি কেন্দ্রীয় উৎসব উদযাপন কমিটির উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কে এস মং। অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন বান্দরবান জেলা পরিষদের সদস্য অ্যাডভোকেট মাধবী মারমা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রোয়াংছড়ি সাব-জোনের ক্যাম্প কমান্ডার মেজর সৈয়দ রবিউল ইসলাম, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাসমিন আলম তুলি, থানার অফিসার ইনচার্জ হুমায়ূন কবির, ১নং রোয়াংছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মেহ্লামং মারমা এবং কেন্দ্রীয় উৎসব উদযাপন পরিষদের আহ্বায়ক চনুমং মারমা প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রোয়াংছড়ি কেন্দ্রীয় উৎসব উদযাপন পরিষদের আহ্বায়ক উ. অংশৈচিং মারমা।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে কে এস মং বলেন, “বান্দরবান একটি অসাম্প্রদায়িক জেলা, যেখানে সকল জাতিসত্তার মানুষ সম্প্রীতির বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে বসবাস করছে। আধুনিকতার ভিড়ে এ ধরনের ঐতিহ্যবাহী উৎসব আমাদের সংস্কৃতির স্বকীয়তা ও ঐতিহ্যকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরে।” তিনি পার্বত্য চট্টগ্রামের সকল জনগোষ্ঠীর সংস্কৃত সংস্কৃতি,ঐতিহ্য ও অধিকার ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠান শেষে তিনি আয়োজকদের ধন্যবাদ জানিয়ে ৩০ হাজার টাকা অনুদান প্রদান করেন এবং অতিথি আপ্যায়নের জন্য আরও ৫ হাজার টাকা সহায়তা দেন। অপরদিকে, বান্দরবান জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে সদস্য মাধবী মারমা আয়োজক কমিটিকে ৭০ হাজার টাকা অনুদান প্রদান করেন।

উৎসবে নারী-পুরুষ ও শিশুদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে পুরো আয়োজন প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। মৈত্রী পানিবর্ষণের মাধ্যমে একে অপরের প্রতি শুভকামনা বিনিময় ছিল উৎসবের অন্যতম আকর্ষণ। এছাড়া ঐতিহ্যবাহী খেলাধুলা ও মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতিক পরিবেশনায় মারমা সম্প্রদায়ের সংস্কৃতি ও জীবনধারার চমৎকার উপস্থাপন উপস্থিত দর্শকদের মুগ্ধ করে।

বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষের অংশগ্রহণে উৎসবটি সম্প্রীতি, ভ্রাতৃত্ববোধ ও সাংস্কৃতিক ঐক্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করে। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

আরো পড়ুন→লামায় চাঁদার জন্যে রাবার ব্যবসায়ী পরিবারের ওপর হামলা ও লুটপাটের অভিযোগ