স্ট্যান্ড রিলিজ জারির পরও বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের নির্বাহী প্রকৌশলীর দায়িত্ব পালন করে যাওয়ার অভিযোগকে কেন্দ্র করে নির্বাহী প্রকৌশলী পরাক্রম চাকমাকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা চলছে। সরকারি আদেশের পরও তিনি দায়িত্বে বহাল থাকায় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজেদের মতামত প্রকাশ করছেন।
বিভিন্ন পোস্টের মন্তব্যে কেউ কেউ প্রশ্ন তুলেছেন, সরকারি স্ট্যান্ড রিলিজ জারির পরও কীভাবে তিনি জেলা পরিষদের দায়িত্ব পালন করছেন। আবার কেউ এ ঘটনায় প্রশাসনিক জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।
আরিফুল ইসলাম নামক একজন ফেসবুক ব্যবহারকারী মন্তব্য করেন, “জুন ফাইনালের সব ঠিকাদারি কাজের ২% আদায় করে জেলা পরিষদ ছাড়বেন পরাক্রম চাকমা।” আরেকজন লেখেন, ” কামাল কামাল নামের একজন লিখেন পরাক্রম চাকমা চেয়ারম্যানের লোক।” রহিম ভূঁইয়া নামক অন্য একজন মন্তব্য করেন, “বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের মধু আছে।” শৈ হ্লা নামক একটি ফেইসবুক আইডি থেকে মন্তব্য করা হয় “বান্দরবানে বেশি করে টাকা কামাইতো পায়।”
এছাড়াও একই বিষয়ে বিভিন্ন পোস্টে আরও অনেকে ক্ষোভ প্রকাশ করে লিখেছেন, সরকারি কর্মকর্তাদের বদলি ও স্ট্যান্ড রিলিজের আদেশ যথাসময়ে কার্যকর হওয়া উচিত। কেউ কেউ বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ারও দাবি জানিয়েছেন। ভোরাখালিবাসী নামক একটা ফেইসবুক আইডি থেকে মন্তব্য করা হয় “ওদের ক্ষমতা সব জায়গায় চলে। “জাবির ইবনে হিয়ান নামক একটা ফেইসবুক আইডি থেকে মন্তব্য করা হয় সে সকল উন্নয়ন কাজের বিল বাবত ৫% নিয়ে চলে যাবে বলেছে ঠিকাদাররা।”
তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এসব মন্তব্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ব্যক্তিগত মতামত। মন্তব্যগুলোর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি এবং এসব বক্তব্যের দায় সংশ্লিষ্ট মন্তব্যকারীদের নিজস্ব।
এ বিষয়ে পরাক্রম চাকমার বক্তব্য জানতে তাকে ফোন করা হলে সংযোগে পাওয়া যায়নি ফলে তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন জনের করা মন্তব্য দেখুন↓

যে প্রতিবেদনের পর সমালোচনায় পরাক্রম চাকমা↓
বদলি আদেশ জারির পরও দায়িত্ব ছাড়েননি নির্বাহী প্রকৌশলী পরাক্রম চাকমা
No tags found for this post.
মন্তব্য করুন