Logo
বাংলাদেশ[bangla_day] , [english_date]
  1. অনিয়ম
  2. অপরাধ
  3. অপহরণ
  4. অর্থনীতি
  5. আইন শৃঙ্খলা
  6. আইন-আদালত
  7. আন্তর্জাতিক
  8. আলীকদম
  9. ইতিহাস ও গল্প
  10. উৎসব

আসলাম চৌধুরীর ভাগ্য নির্ধারণ আগামীকাল, রায়ের অপেক্ষায় চট্টগ্রাম ও দেশবাসী

নিজস্ব প্রতিবেদক
আপডেট : April 27, 2026
Link Copied!

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ চট্টগ্রাম ও জাতীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনার কেন্দ্র বিন্দুতে উঠে এসেছে সীতাকুণ্ড ও পাহাড়তলী নিয়ে, চট্টগ্রাম- ৪ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী আসলাম চৌধুরী সম্পর্কিত, সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে আগামী ২৮ শে এপ্রিল ২০২৬ তারিখের চূড়ান্ত শুনানির বিষয়টি।

মামলাটি মূলত তার ব্যাংক ঋণ খেলাপি হিসেবে সনাক্তকরণ নির্বাচনে অংশগ্রহণের যথার্থ যোগ্যতা এবং পূর্ববর্তী আদালতের নির্দেশ বাস্তবায়ন সংক্রান্ত আইনি প্রশ্ন কে কেন্দ্র করে আবর্তিত।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী মোহাম্মদ আসলাম চৌধুরীর নিজের নামে, জামিনদার হিসেবে ও পরিচালক হিসেবে পাঁচ ব্যাংকে খেলাপি ঋণের পরিমাণ এক হাজার ৭০০ কোটি টাকা।

বিশেষ সূত্রে জানা যায় আসলাম চৌধুরী নিজেকে ঋণ খেলাপি নন বলে দাবি করেন এবং ব্যাংকের সিআইবি (ক্রেডিট ইনফরমেশন ব্যুরো) রিপোর্টের ভিত্তিতে নির্বাচন প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণের উপর স্থগিতাদেশ চেয়ে হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন।

 যার প্রেক্ষিতে গত ৪ ডিসেম্বর হাইকোর্ট একটি আদেশ দেন যেখানে বলা হয় তিনি একটি অঙ্গীকার নামার মাধ্যমে আট সপ্তাহ তথা দুই মাসের মধ্যে মধ্যে প্রায় ৫০ কোটি টাকা ব্যাংকে জমা দিবেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অর্থ জমা না দিলে ওই স্থগিতাদেশ স্বয়ংক্রিয়ভাবে কার্যকারিতা হারাবে এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ঋণখেলাপি হিসেবে বিবেচিত হবে বলেও আদালতের নির্দেশনায় উল্লেখ ছিলো বলে জানা যায়।

একটি জাতীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায় পরবর্তীতে একই ইস্যুতে অন্য একটি বেঞ্চে নতুন করে স্থগিতাদেশ গ্রহণ করা হয়-যা নিয়ে আদালতে আইনি ব্যাখ্যা ও এখতিয়ার সংক্রান্ত প্রশ্ন উত্থাপিত হয়েছে।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা এটিকে বিচারিক প্রক্রিয়ার অপব্যবহার হিসেবে উল্লেখ করলেও প্রতিপক্ষের আইনজিবীরা দাবি করেছেন এটি আইনগত অধিকার প্রয়োগের অংশ।

এদিকে নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে বিষয়টি বিচারাধীন থাকায় সংশ্লিষ্ট আসনের গেজেট প্রকাশ স্থগিত রাখা হয়েছে। আদালতের চূড়ান্ত রায়ের উপর ভিত্তি করেই নির্বাচন কমিশন পরবর্তী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে বলে জানা যায়। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন এই মামলার রায় বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিতে পারে।

আইন বিশেষজ্ঞদের মতে রায়টি থেকে বোঝা যাবে বিচার বিভাগ রাজনৈতিক চাপমুক্ত থেকে আইনের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নিতে পারছে কিনা এমন কথা উল্লেখ করতে দেখা যায় দেশের প্রথম সারির একটি জাতীয় দৈনিকে।

এদিকে সাম্প্রতিক সময়ে আসলাম চৌধুরী ও তার সাথে সংশ্লিষ্ট কতিপয় বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে তৈয়বুল ইসলাম নামে এক প্রবাসীর বসতবাড়ি দখল ও ভাড়াটিয়াদের উচ্ছেদের অভিযোগ উঠেছে।

 এ ঘটনার প্রতিবাদে বিএনপির চেয়ারপারসনের কার্যালয়ের সামনে মানববন্ধন করেছে ভুক্তভোগী পরিবারটি একই সাথে তারা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দৃষ্টি আকর্ষণ সহ দলীয় হাইকমান্ডের হস্তক্ষেপ কামনা করে আবেদনপত্র জমা দিয়েছে বলে জানা যায়।

রাজনৈতিক অভিযোগ উপেক্ষা করে ২৮ এপ্রিল আসলাম চৌধুরীর মামলার চূড়ান্ত রায় এর দিকে তাকিয়ে আছে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গন সহ সাধারণ মানুষ।

আরো পড়ুন→নাইক্ষ্যংছড়িতে জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ পালিত