নিজস্ব প্রতিবেদক
২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১:১৯ অপরাহ্ণ
অনলাইন সংস্করণ
পাঠক সংখ্যা ৫৪৬৮ জন

ঘুমধুমে বন্ধ ৫ স্কুল খুলেছে শিক্ষার্থীরা ফিরছেন আপন পাঠশালায়

Copy Link

নাইক্ষ্যংছড়ি প্রতিনিধি:মিয়ানমার অভ্যন্তরে জান্তা সরকার ও বিচ্ছিন্নতাবাদী বিদ্রোহী গ্রুপের মধ্যকার তুমুল সংঘর্ষের জেরে দীর্ঘ ২৩ দিন বন্ধ ছিল সীমান্তবর্তী বিদ্যালয় গুলো।সীমান্ত পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ায় উক্ত বিদ্যালয় গুলো খুলেছে।শিক্ষার্থীরা ফিরছে আপন পাঠশালায়।প্রান ফিরে পেলো পাঠশালা গুলো। যথারীতি চলছে শিক্ষা কার্যক্রম।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়,বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম সীমান্তবর্তী এলাকায় ৫টি প্রাথমিক বিদ্যালয় দীর্ঘ ২৩ দিন বন্ধ থাকার পর খুলেছে।

বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী সকাল ১০ টায় ঘুমধুম-তুমব্রু সীমান্তের মিয়ানমার লাগোয়া ভাজাবনিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়,তুমব্রু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়,তুমব্রু পশ্চিমকুল পাহাড় পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়,বাইশফাঁড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়,দক্ষিণ ঘুমধুম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় খুলেছে।কচি-কাচা শিক্ষার্থীরা নিজ পাঠশালায় ফিরছেন।তবে তুলনামুলক ভাবে উপস্থিতির হার কম। শিক্ষকরাও অফিসে উপস্থিত রয়েছেন এবং শ্রেণীর পাঠ কার্যক্রমের প্রস্তুতি নিচ্ছেন শিক্ষকরা।

এদিকে সীমান্তের কাছাকাছি ভাজাবনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জাহেদ হোসাইন বলেন, সীমান্ত পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়াতে জেলা প্রশাসনের নির্দেশনায় খোলা হয়েছে।

মিয়ানমার অভ্যন্তরে জান্তা বাহিনী ও বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মির সংঘাতের কারণে সীমান্ত লাগোয়া ৫টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সাময়িক বন্ধ ঘোষনা করেছিল কর্তৃপক্ষ।সীমান্ত পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ায় অন্যান্য বিদ্যালয় গুলোর মত আমরাও আমাদের ভাজাবনিয়া প্রাথমিক বিদ্যালয় গতকাল(২৭ ফেব্রুয়ারী)পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন করে যথারীতি খুলেছি।ছাত্র-ছাত্রীরা বিদ্যালয়ে আসতে শুরু করেছে।তাদের চোখে-মুখে আনন্দ-উচ্ছাস দেখা দিয়েছে। ছাত্র-ছাত্রীদের আনন্দঘন মূহুর্ত লক্ষ্য করা গেছে।

তুমব্রু পশ্চিমকুল পাহাড় পাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হেলাল উদ্দিন বলেন,শিশু শিক্ষার্থী আবারো প্রানের পরিবেশে ফিরে এসে উ জৎফুল্ল বেশ।আর যেন সংঘাত না হয়,,এটাই সবার কামনা।

নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ত্রিরতন চাকমা বলেন,সীমান্ত পরিস্থিতি ভালো।সব ঠিকঠাক আছে,তাই বিদ্যালয় গুলো জেলা প্রশাসনের নির্দেশনায় খুলে দেওয়া হয়েছে।

বান্দরবান জেলা প্রশাসক শাহ মোজাহিদ উদ্দিন বলেন,সীমান্ত পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।সীমান্তের মানুষ অন্যত্র সরে গেলেও তারা এখন বাড়িঘরে ফিরছে,কাজের লোক কাজে যোগদান করছে।বিদ্যালয় গুলোও খুলেছে।

প্রসঙ্গত:চলতি মাসের ৫ তারিখ জেলা প্রশাসনের নির্দেশনায় জেলা ও উপজেলা শিক্ষা অফিস ঘুমধুম ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী ৫ টি প্রাথমিক বিদ্যালয়,একটি মাদ্রাসা ও একটি উচ্চ বিদ্যালয় সাময়িক বন্ধ ঘোষণা করেছিল।

Facebook Comments Box

No tags found for this post.

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

চকরিয়ায় ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠানে বিজিবির মানবিক ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

রুমার দুর্গম এলাকায় সেনাবাহিনীর উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

আলীকদমে ত্রাণ নিতে আসা ১ হাজার পরিবারকে পরিবহন সুবিধাও দিলো খুইল্যা মিয়া ফাউন্ডেশন

শনিবার খুলছে কাপ্তাই বাঁধের ১৬টি জলকপাট, নিম্নাঞ্চলে সতর্কতা জারি

বিনামূল্য চক্ষু শিবির থেকে বাছাইকৃত ১০০ রোগীকে ২০ জুলাই পাঠানো হবে চট্টগ্রামে

রাঙামাটিতে ‘জুলাই শহীদ দিবস’ অনুষ্ঠানে এমপি দীপেন দেওয়ান

নাইক্ষ্যংছড়িতে জুলাই শহিদ দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

আলীকদমে বন্যা দুর্গতদের পাশে দক্ষিণ কোরিয়া প্রবাসী শুভল মনি তঞ্চঙ্গ্যা

আলীকদমের ইউপি চেয়ারম্যানসহ ৪ জনপ্রতিনিধি বরখাস্ত

পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর শিক্ষা ও জীবনমান উন্নয়নে সেনাবাহিনীর মানবিক উদ্যোগ

১০

বন্যাকবলিত তারাছা ইউপির তালুকদার পাড়ায় এখনো পৌঁছায়নি সরকারি কোনো সহায়তা

১১

বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের খাদ্য সহায়তা পেল রুমা উপজেলা

১২

ছবিতে দেখুন বান্দরবানের বন্যা পরবর্তী পরিস্থিতি

১৩

বান্দরবানে মাত্র ৫’শত টাকার জন্য খুন হলেন এক ব্যক্তি

১৪

২০ লাখ ইয়াবাসহ ঘুমধুম সীমান্ত থেকে এক মাদক কারবারি আটক

১৫

নাইক্ষ্যংছড়িতে দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের ত্রাণ সহয়তা দিলো জামায়াত ইসলামী

১৬

থানচিতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা দিয়েছে বিজিবি

১৭

প্রবীণ ব্যক্তিত্ব মংসিংগ্য মারমার প্রয়াণে আঞ্চলিক পরিষদ সদস্য কে এস মং-এর গভীর শোক

১৮

বান্দরবানে বন্যার্ত ২০ পরিবারের পাশে দাঁড়াল স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন অরন্য দৃষ্টি

১৯

বান্দরবানে বন্যাকবলিত ১৪৫ পরিবার-কে ত্রাণ দিলো মেজর (অব.) ওয়াং টিং

২০
error: Content is protected !!