বান্দরবানের থানচি উপজেলার বলিপাড়ার গর্বিত সন্তান সাধুমনি ফ্রান্সিস ত্রিপুরা আগামী ৬ নভেম্বর যাজক হিসেবে অভিষিক্ত হতে যাচ্ছেন। তাঁর এই যাজক অভিষেককে ঘিরে পরিবার, আত্মীয়স্বজন, ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ, শুভাকাঙ্ক্ষী ও স্থানীয় খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের মধ্যে আনন্দ-উচ্ছ্বাস ও উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে।
আয়োজক কমিটির সহ সভাপতি ও ক্যচু পাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, রাফায়েল মনিরাম ত্রিপুরা বলেন, একজন ধর্মীয় সেবক হিসেবে সাধুমনি ফ্রান্সিস ত্রিপুরার এই নতুন পথচলা শুধু তাঁর পরিবার কিংবা ব্যক্তিগত জীবনের অর্জন নয়, বরং বলিপাড়াসহ পুরো থানচি এলাকার ও সকল ত্রিপুরা জনগোষ্ঠীর মানুষের জন্য গর্ব ও আনন্দের বিষয় হিসেবে দেখা হচ্ছে। তাঁর যাজক হওয়ার মধ্য দিয়ে এলাকার তরুণ প্রজন্মের মধ্যেও ধর্মীয় জীবন, মানবসেবা, নৈতিকতা ও সমাজের কল্যাণে কাজ করার অনুপ্রেরণা সৃষ্টি হবে বলে মনে করছেন তিনি।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, যাজক অভিষেক অনুষ্ঠানটি আনন্দঘন ও সাফল্যমণ্ডিত করতে ইতোমধ্যে সার্বিক প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। অনুষ্ঠানের বিভিন্ন কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। অতিথিদের অভ্যর্থনা, অনুষ্ঠানস্থল সাজসজ্জা, শৃঙ্খলা রক্ষা, ছবি ও ভিডিও ধারণসহ বিভিন্ন দায়িত্ব ভাগ করে নিয়ে প্রস্তুতি এগিয়ে চলছে।
আয়োজকদের প্রত্যাশা, ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য, আনন্দ ও সম্প্রীতির মধ্য দিয়ে এই অভিষেক অনুষ্ঠান সম্পন্ন হবে। এতে বিভিন্ন এলাকার ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব, গণ্যমান্য ব্যক্তি, আত্মীয়স্বজন, শুভাকাঙ্ক্ষী ও স্থানীয় জনসাধারণের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠানটি মিলনমেলায় পরিণত হবে।
সাধুমনি ফ্রান্সিস ত্রিপুরার যাজক অভিষেককে ঘিরে বলিপাড়ার মানুষের মধ্যে যে আনন্দ ও উৎসাহ তৈরি হয়েছে, তা স্থানীয় ইতিহাসে একটি স্মরণীয় অধ্যায় হয়ে থাকবে বলে প্রত্যাশা করছেন এলাকাবাসী।
উল্লেখ্য, আগামী ৬ নভেম্বর অনুষ্ঠিতব্য এই যাজক অভিষেকের মধ্য দিয়ে সাধুমনি ফ্রান্সিস ত্রিপুরা ধর্মীয় সেবার এক নতুন অধ্যায়ে পদার্পণ করবেন। তাঁর আগামী দিনের পথচলা মানবকল্যাণ, শান্তি, সম্প্রীতি ও মানুষের সেবায় নিবেদিত হোক, এমন প্রত্যাশা সবার।
No tags found for this post.
মন্তব্য করুন