বান্দরবানের সীমান্তবর্তী নাইক্ষ্যংছড়িতে মাদকবিরোধী অভিযানে আবারও বড় সফলতা অর্জন করেছে ১১ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। চৌকস ও দূরদর্শী অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোঃ ফয়জুল কবিরের দক্ষ নেতৃত্ব, কৌশলগত পরিকল্পনা ও কঠোর নজরদারির ফলে বিশেষ অভিযানে মালিকবিহীন অবস্থায় ৫০ হাজার ২১৮ পিস বার্মিজ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে, যার আনুমানিক বাজারমূল্য ১ কোটি ৫০ লাখ ৬৫ হাজার ৪০০ টাকা।
শুক্রবার (২৬ জুন) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি)-এর অধীনস্থ জারুলিয়াছড়ি বিওপির দায়িত্বপূর্ণ সীমান্তবর্তী ফুলাঝিড়ি এলাকায় এ বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। সীমান্ত পিলার ৪৭/৩-এস থেকে প্রায় ৯০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিজিবির বিশেষ আভিযানিক দল অভিযান চালায়।
অভিযান চলাকালে একদল চোরাকারবারি মিয়ানমার থেকে ইয়াবার চালান নিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টা করলে বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে তারা ইয়াবার কার্টন ফেলে জঙ্গলের ভেতর পালিয়ে যায়। পরে তল্লাশি চালিয়ে ঘটনাস্থল থেকে মালিকবিহীন অবস্থায় ৫ কার্টনে থাকা মোট ৫০ হাজার ২১৮ পিস বার্মিজ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এর মধ্যে খয়েরি রঙের ৪৯ হাজার ৭২০ পিস এবং সবুজ রঙের ৪৯৮ পিস ইয়াবা ছিল।
১১ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোঃ ফয়জুল কবির বলেন, সীমান্ত সুরক্ষা, মাদক ও অস্ত্র চোরাচালান প্রতিরোধ, মানবপাচার রোধ এবং অবৈধ অনুপ্রবেশ নিয়ন্ত্রণে বিজিবি সর্বদা কঠোর অবস্থানে রয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের ঘোষিত ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়নে বিজিবি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে এবং সীমান্ত এলাকায় গোয়েন্দা নজরদারি ও টহল আরও জোরদার করা হয়েছে।
স্থানীয়দের মতে, অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোঃ ফয়জুল কবির দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে ১১ বিজিবির মাদকবিরোধী অভিযান, সীমান্ত নিরাপত্তা ও চোরাচালান প্রতিরোধ কার্যক্রমে উল্লেখযোগ্য সাফল্য এসেছে। ধারাবাহিক এসব অভিযানে সীমান্ত এলাকায় মাদক পাচারকারীদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে নিরাপত্তাবোধ বৃদ্ধি পেয়েছে।
আরো পড়ুন→নাইক্ষ্যংছড়িতে জামায়াতে ইসলামীর দিনব্যাপী শিক্ষা শিবির অনুষ্ঠিত
No tags found for this post.
মন্তব্য করুন