Logo
বাংলাদেশ[bangla_day] , [english_date]
  1. অনিয়ম
  2. অপরাধ
  3. অপহরণ
  4. অর্থনীতি
  5. আইন শৃঙ্খলা
  6. আইন-আদালত
  7. আওয়ামীলীগ
  8. আন্তর্জাতিক
  9. আলীকদম
  10. ইতিহাস ও গল্প

বান্দরবানে ১৬ ইস্টবেঙ্গল রেজিমেন্টের ৫৩ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন

রেমবো ত্রিপুরা
আপডেট : February 20, 2025
Link Copied!

থানচি প্রতিনিধিঃ পার্বত্য বান্দরবানের দীর্ঘদিন সকল প্রয়োজনে সাধারণ মানুষের মাঝে সেনাবাহিনীর এই পথ চলায় ৬৯ পদাতিক ‌ব্রিগেড, ১৬ ইস্টবেঙ্গল রেজিমেন্ট বান্দরবানের থানচি ও রুমা উপজেলার সকল মানুষের একটি আবেগ এবং ভালোবাসার ইউনিট।

এদেশের যতগুলো জনগোষ্ঠী আছে আমরা সকলের জন্য উন্নয়নমূলক কার্যক্রমে সদা সচেষ্ট। আমাদের উদ্দেশ্যে এ অঞ্চলের সকল মানুষের জন্য একটি স্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি করা যাতে এখানকার মানুষ সামনে এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় তৈরী করতে পারে।

বুধবার বান্দরবানের ৬৯ পদাতিক ব্রিগেডের ১৬ ইস্টবেঙ্গল রেজিমেন্টের ৫৩ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন, ৬৯ পদাতিক ব্রিগেড ও বান্দরবান রিজিয়নের রিজিয়ন কমান্ডার, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মাদ রাকিব ইবনে রেজওয়ান।

দুপুরে আলীকদম ব্যাটালিয়ন হেডকোয়ার্টার এবং বাকলাই পাড়া সাবজোনে অত্র ইউনিটের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন করা হয় ।

অনুষ্ঠানের শুরুতে ১৬ ইস্টবেঙ্গল রেজিমেন্ট এর বিভিন্ন কর্মসূচি সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত আলোকপাত করা হয় ।পরে ৬৯ পদাতিক ব্রিগেড ও রিজিয়ন কমান্ডার বান্দরবান রিজিয়ন এবং অনুষ্ঠানে আগত অতিথি বৃন্দ কেটে কেটে অনুষ্ঠানের শুভ উদ্বোধন করা হয়।

একই সময় বাকলাই পারা সাব জোনের অন্তর্গত বিভিন্ন সম্প্রদায় ও পাড়ার কারবারি, ধর্মযাজক, শিক্ষক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ছাড়াও প্রশাসনের কর্মকর্তা, পুলিশ এবং গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তা উপস্থিত থেকে এ অনুষ্ঠান উদযাপন করা হয়।

অনুষ্ঠানে আগত বিভিন্ন পাড়ার কারবারি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ১৬ ইস্টবেঙ্গল রেজিমেন্টের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর অনুষ্ঠানে তাদেরকে নিমন্ত্রণ করার জন্য। একই সাথে এলাকার সন্ত্রাস নির্মূল ও পার্বত্য এলাকার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজে সক্রিয় অংশগ্রহণের জন্য অত্র ইউনিটকে সাধুবাদ জানান।

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে অধিনায়ক দি ম্যাজেস্ট্রিক টাইগারস বলেন, পার্বত্য জেলা বান্দরবানে শান্তি প্রতিষ্ঠার পথ চলাতে অনেক সেনা সদস্য তাদের সর্বোচ্চ আত্মত্যাগ স্বীকার করেছে।তাদের আত্ম বলিদান এর মাধ্যমে পার্বত্য অঞ্চলে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে চলছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। এই ইউনিট সব সময় তাদের সর্বোচ্চ ত্যাগ ও চেষ্টা দিয়ে পার্বত্য এলাকার মানুষের জীবনযাপনের মান এবং এলাকার শান্তি বজায় রাখতে সর্বদা সচেষ্টা থাকবে।

আরো পড়ুন→থানচিতে তারুণ্যের উৎসব উপলক্ষ্যে পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত