babul khan
৪ জানুয়ারী ২০২০, ২:৫৮ অপরাহ্ন
অনলাইন সংস্করণ
পাঠক সংখ্যা ৫৪৯২ জন

মুজিব বর্ষে চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী মর্যাদা গ্রামপুলিশের

Copy Link
[ppsp_buttons show="print,live_tv,picture,copy"]

১৭৯৩ থেকে ২০১৯ সাল দির্ঘ ২২৬ বছরের ইতিহাস গ্রাম পুলিশের। বেতন বিহীন সরকারের কাজ করলেও বেতন পেতেন না সরকারি কর্মচারীদের নিয়মে।

রাতদিন কর্তব্য পালনে নিয়োজিত থেকে ৬ হাজার টাকা সম্মানী পেতেন,যার অর্ধেক বহন করতো ইউনিয়ন পরিষদ। সামাজিক কোনো অবস্থান ছিল না তাদের,একরকম দাসত্বের শৃঙ্খলে জড়িয়ে ছিলেন এই গ্রাম পুলিশ পেশা।

অবশেষে চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী হিসেবে মর্যাদা পেলেন গ্রাম পুলিশ তথা ইউনিয়ন পরিষদের দফাদার ও মহল্লাদার’রা সর্বশেষ সরকারি বেতন কাঠামো অনুযায়ী বেতন পাবেন তারা ২০ হাজার টাকার বেশি,থাকছে পেনশন সুবিধা।

প্রতিটি ইউনিয়নে মোট নয়জন করে দেশে মোট দফাদার ও মহল্লাদার রয়েছেন ৪৭ হাজার। হাইকোর্টের এক রায়ে তাদের দাসত্ব ঘুচল। তাদের হয়ে আইনি লড়াই করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার হুমায়ুন কবির পল্লব। ঢাকা টাইমসের সঙ্গে একান্ত আলাপে তিনি তুলে ধরেছেন গ্রামপুলিশের ২২৬ বছরের বঞ্চনার ইতি টানার লড়াইয়ের গল্প।

১৭ ডিসেম্বর বিচারপতি মো. আশরাফুল কামাল ও বিচারপতি রাজিক আল জলিলের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ ওই রায় ঘোষণা করেন। রায়ে আদালত বলেছেন, ২০২০ সালের ১৭ মার্চ মুজিববর্ষ শুরু হওয়ার আগেই নির্দেশ অনুসারে গ্রামপুলিশের বেতন-ভাতা পরিশোধ করে আদালতে হলফনামা দিতে হবে। স্থানীয় সরকার সচিবের প্রতি এই নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

এতে আরও বলা হয়েছে, গ্রামপুলিশ সদষ্যদের অবসর ভাতা দেয়ার ক্ষেত্রে নিজ নিজ যোগদানের তারিখ থেকে এই ভাতা গণনা শুরু করতে হবে।

২০০৮ সালে গ্রামপুলিশের সদস্যদের জাতীয় বেতন স্কেলের চতুর্থ শ্রেণিতে অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। তবে ওই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন না হওয়ার প্রেক্ষাপটে ২০১৭ সালে লাল মিয়াসহ ৩৫৫ জন গ্রামপুলিশ সদস্য হাইকোর্টে একটি রিট করেন। প্রাথমিক শুনানি নিয়ে একই বছরের ৩ ডিসেম্বর হাইকোর্ট রুল জারি করেন। এতে ২০০৮ সালের সিদ্ধান্ত অনুসারে গ্রামপুলিশ সদস্যদের চতুর্থ শ্রেণিতে অন্তর্ভুক্তির নির্দেশ কেন দেয়া হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়। সেই রুলের চূড়ান্ত শুনানি শেষে রায় ঘোষণা করে আদালত।

রায়ের বিষয়টি জানিয়ে আইনজীবী হুমায়ূন কবির সাংবাদিকদের বলেন, ৩৫৫ জন রিট করলেও সারা দেশে ৪৭ হাজার গ্রামপুলিশ সদস্য রয়েছেন। রিট আবেদনকারীসহ সবাই এসব সুবিধা পাবেন। ১৯তম গ্রেডে দফাদাররা পাবেন সর্বসাকুল্যে ২০ হাজার ৫৭০ টাকা। আর ২০তম গ্রেডে মহল্লাদারদের সব মিলে বেতন হবে ২০ হাজার ১০ টাকা।

Facebook Comments Box

No tags found for this post.

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

নাইক্ষ্যংছড়িতে জামায়াতে ইসলামীর দিনব্যাপী শিক্ষা শিবির অনুষ্ঠিত

প্রতারণার অভিযোগে আলীকদম উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক বহিষ্কার

বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প আয়োজন ঘিরে রাজবিলায় প্রস্তুতি সভা

সমাজ রক্ষায় মাদককে ‘না’ বলার আহ্বাননে বান্দরবানে মানববন্ধন

পার্বত্য মন্ত্রণালয়ে আদিবাসী পূর্ণমন্ত্রী নিয়োগের দাবিতে বিশিষ্ট ৩২ নাগরিকের বিবৃতি

বান্দরবানে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের মাঝে পিসিসিপির শিক্ষা উপকরণ বিতরণ

নাইক্ষ্যংছড়ি সফরে প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু

রাঙামাটি লেক ভিউ গার্ডেনের সৌন্দর্য বিনষ্টের অভিযোগ

পোয়াংগেরখিল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটি নির্বাচন সম্পন্ন

থানচিতে হেলে পড়া বৈদ্যুতিক খুঁটি বাড়াচ্ছে দুর্ঘটনার শঙ্কা

১০

নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে ফের মাইন বিস্ফোরণে যুবক আহত

১১

বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা সেবা ক্যাম্প “সুস্থ চোখ, সুন্দর জীবন”

১২

নাইক্ষ্যংছড়িতে গহীন জঙ্গল থেকে মানব কঙ্কাল উদ্ধার

১৩

বান্দরবান ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞার বিজ্ঞপ্তিটি ভিত্তিহীন: জেলা প্রশাসন।

১৪

পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়ন না হওয়ায় ভুমিবেদখল ও হামলার ঘটনা বাড়ছে

১৫

নাইক্ষ্যংছড়ি থানা পরিদর্শনে এডিশনাল ডিআইজি মো: নাজমুল হক

১৬

নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে ৩ কোটি ২ লক্ষ টাকার ইয়াবা উদ্ধার

১৭

পার্বত্য অঞ্চলের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর গুরুত্বপূর্ণ দাবি নিয়ে ৪ এমপির যৌথ কি চিঠি

১৮

বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের উপ–সহকারী প্রকৌশলী মেহেদীর গাফিলতিতে কাজে হয় অনিয়ম

১৯

জনপদের নীরব সেবক–কে এস মং

২০
error: Content is protected !!