নিজস্ব প্রতিবেদকঃ নাইক্ষ্যংছড়ি হাজি এম এ কালাম সরকারি কলেজের এক ছাত্রীকে অপহরণের চেষ্টার ঘটনায় ৪ কিশোর গ্যাংয়ের ৪ সদস্যকে আটক করেছে পুলিশ। ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে মামলার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছেন নাইক্ষ্যংছড়ি থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ মুহাম্মদ আলমগীর হোসেন।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী আবুল হাশেম প্রকাশ কালু জানান,দুপুর ২ টার দিকে নাইক্ষ্যংছড়ি সদরের পূর্ববিছামারা নুুুরুল হাকিমের ইন্টার সেকেন্ড ইয়ারের পড়ুুয়া মেয়ে তাজনিন আক্তার (১৭) নিজ প্রতিষ্টান সরকারী হাজি এম এ কালাম সরকারি কলেজ থেকে ক্লাস শেষে বাড়ি ফিরছিলেন টমটম গাড়ি যোগে। এ সময় পার্শ্ববর্তী কচ্ছপিয়া ইউপির নতুন মিয়াজি পাড়ার হাজি আবদুল গফুর মিয়াজির ছেলে তামিম মিয়াজির নেতৃতে ৩/৪ জন যুবক তার পিছু নেয়। তারাও অপর একটি টমটমে করেতা জনিনকে তাড়াতে থাকে। এক পর্যায়ে ছাত্রীটি তার নিজ গ্রামের কাছাকাছি পৌঁছে গিয়ে এক প্রতিবেশির বাড়িতে যায়। বাড়ির দরজায় তালামারা দেখে দৌঁড়ে অপর বাড়িতে আশ্রয় নিতে যাওয়ার পথে বখাটে তামিম মিয়াজি তাকে ঝাপড়ে ধরে টেনে নিয়ে আসে। শুরু হয় আর্তনাদ আর চিৎকার। কালুু মিয়া আরো জানান,চিৎকার শুনে সে নিজেও এগিয়ে আসে। উদ্ধার করে মেয়েটিকে। তাকে ধৃত করে ফেলে সে। কিন্ত বিধি বাম। এরই মাঝে তার অপেক্ষামান বন্ধুদের ফোনের কারণে আরো ১০/১২ জন বখাটে যুবক রাম দা,ছুরি নিয়ে চলে আসে গয়াল খামার এলাকায়। সৃষ্টি হয় এক অরাজকতার।
পুরো গ্রামে তখন আতংক ছড়িয়ে পড়ে। এক পর্যায়ে তারা তাকে মারতে দৌড়াতে থাকে, যেন ফিল্মস্টাইল। অল্পের জন্যে সে বেঁচে যায়। গ্রামবাসী এগিয়ে আসলে মেয়েটি এবং কালু উদ্ধার হয়। এসময় জনতার হাতে আটক হয় ওই ৪ বখাটে। জনতা কর্তৃক আটকদের থানা হেফাজতে নেন পুলিশ। তারা হলো: কচ্ছপিয়ার নতুন মিয়াজি পাড়ার হাজি গফুরের ছেলে তামিম,ইসমাইলের ছেলে রিহম উল্লাহ রিপন,খুরশেদের ছেলে মোঃ নবী একই ইউপির মৌলভী কাটার নুরুল কবিরের ছেলে শামশুউদ্দীন। ওসি মোঃ আলমগীর হোসেন মঙ্গলবার রাতে জানান, থানায় আটক ৪ জন সহ ১০/১২ জনের বিরুদ্ধে থানায় মামলার প্রক্রিয়া চলছে। তিনি বলেন কিশোর গ্যাং কিংবা বেআইনী কর্মকান্ডে কাউকে ছাড় দেয়া হবে না।
No tags found for this post.
মন্তব্য করুন