1. soccergames24@gmail.com : babul khan : babul khan
  2. paharkantho2024@gmail.com : Sm Nasim : Sm Nasim
  3. 1234567889@gmail.com : Khaled Mahabub Khan Arafat : Khaled Mahabub Khan Arafat
  4. shebabslinfg@gmail.com : Babul Khan : Babul Khan
  5. mhkbkhan@gmail.com : Mahabub Hassan Khan : Mahabub Hassan Khan
রোয়াংছড়ি জেতবন বৌদ্ধ বিহারে কঠিন চীবর দানোৎসবে আঞ্চলিক পরিষদ সদস্য কে এস মং - paharkantho
রবিবার, ০৭ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৭:০১ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
বান্দরবানে সাংবাদিকদের সথে এনসিপির নবগঠিত কমিটির মতবিনিময় পার্বত্য চুক্তি বাস্তবায়নের দাবিতে নাইক্ষ্যংছড়িতে র‌্যালি–সমাবেশ থানচিতে নতুন বাস টার্মিনাল চালু যাত্রীসেবার নতুন সম্ভাবনা বাস্তবায়নের দাবি নিয়ে বান্দরবানে পার্বত্য চুক্তির ২৮তম বর্ষপূর্তি পালন রুমায় সহকারী শিক্ষা অফিসারের দুই পদ শূন্য: তদারকি–শৃঙ্খলায় স্থবিরতা রুমায় দুলাচান পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক অনুপস্থিত, পাঠদানে অনিয়মের অভিযোগ রেইচা আর্মি চেকপোস্টে সেনাবাহিনী কর্তৃক ৬ রোহিঙ্গা আটক থানচিতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে বিএনপি’র র‍্যালি ও আলোচনা সভা বান্দরবানের থানচিতে জাতীয় সমবায় দিবস পালিত বান্দরবানে আন্তর্জাতিক গ্রামীণ নারী দিবস উদযাপন
বিজ্ঞপ্তি
paharkantho.com আপনাকে স্বাগতম 🤗...

রোয়াংছড়ি জেতবন বৌদ্ধ বিহারে কঠিন চীবর দানোৎসবে আঞ্চলিক পরিষদ সদস্য কে এস মং

আরাফাত খাঁন
  • প্রকাশিতঃ মঙ্গলবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৫

বান্দরবান জেলার রোয়াংছড়ি উপজেলার কেন্দ্রীয় জেতবন বৌদ্ধ বিহারে ৫৬ তম দানোত্তম কঠিন চীবর দান উৎসবে উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের সদস্য কে এস মং। মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) সকালে বান্দরবান থেকে রোয়াংছড়ি যাত্রা করেন তিনি। রোয়াংছড়ি পৌঁছালে স্থানীয় এলাকাবাসী ও ওয়াগয় পাড়ার জনগণ তাকে স্বাগত জানান। পরে এলাকার মানুষদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করে কেন্দ্রীয় জেতবন বৌদ্ধ বিহারে পায়ে হেঁটে যোগ দেন।

এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন নোয়াপতং ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান সম্ভু তঞ্চঙ্গ্যা, জনসংহতি সমিতি বান্দরবান জেলা সাধারণ সম্পাদক উবাচিং মারমা, সাংবাদিক উথাইসিং রনি, উসাচিং মারমা ও প্রকৃত বড়ুয়া প্রমুখ।

এর আগে ২৮ অক্টোবর তিনি নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার সোনাইছড়ি ইউনিয়নের ঠাকুরপাড়া বৌদ্ধ বিহারে অনুষ্ঠিত কঠিন চীবর দান উৎসবেও অংশগ্রহণ করেছিলেন।

 

প্রসঙ্গত, কঠিন চীবর দান উৎসব বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় অনুষ্ঠান। ভিক্ষুদের জন্য এক মাসের মধ্যে হাতে বোনা নতুন চীবর দান করা হয়। আশ্বিন পূর্ণিমার পরদিন থেকে কার্তিক পূর্ণিমা পর্যন্ত এটি পালিত হয়। উৎসবটি ভক্তদের দান, পুণ্য অর্জন ও ধর্মচর্চার এক মহাপূর্ণ উপলক্ষ হিসেবে বিবেচিত।

আরো পড়ুন→বান্দরবানের সুয়ালকে চুরি-ছিনতাইয়ের ঘটনা বৃদ্ধি, সন্দেহ রোহিঙ্গা সংশ্লিষ্টতা নিয়ে

call now: 01872-699800

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আর নিউজ
© All rights reserved ©paharkantho.com-২০১৭-২০২৫
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: JPHOSTBD
jp-354c8c03daee477a362a