বান্দরবান: রুমা উপজেলা ৭ কিঃমিঃ নামক স্হানে বগা লেক সড়কে পাচারের জন্য বিপুল পরিমাণে পাথর মজুদ করা হয়েছে।
সোমবার (২৪ আগষ্ট )সরজমিনে গিয়ে বিক্রয়ের উদ্দৈশে মজুদকৃত বিশাল পাথরের স্তুপ দেখা যায়। স্থানীয় অনেকে জানান,এইসব অবৈধ পাথর উত্তোলন ও পাচারের বিষয়ে প্রশাসনকে অবহিত করলেও তারা কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি।
জানা গেছে, কোন প্রকার অনুমোদন ও পারমিট ছাড়া রুমা উপজেলা দীর্ঘদিন যাবৎ অবৈধ পাথর উত্তোলন ও পাচার করছে একটি সিন্ডিকেট। গত কয়েক বছর যাবৎ বান্দরবান জেলা প্রশাসন পাথর উত্তোলন ও পাচারের কোন প্রকার পারমিট না দিলেও অবৈধ পাথর ব্যবসা বন্ধ হচ্ছে না।
নাম প্রকাশ না করা সত্ত্বে কয়েক জন স্থানীয় বাসিন্দা জানান, রুমা উপজেলায় উজ্জল ধর এই অবৈধ পাথর ব্যবসার সাথে জড়িত। এখনও রুমা বাজার থেকে বগার লেক যাওয়ার পথে ৭কিঃমিঃ নামক স্হানে প্রধান সড়কের পাশে বিপুল পরিমাণে পাথর, পাথরের কংকর ও পাথর ভাঙ্গার মেশিন, ৬ জন শ্রমিক ও শ্রমিক মাঝি মোঃ কাশেম রয়েছে। পাথর ব্যবসায়ীরা খাল, ছড়া, ঝিরি ও পাহাড় খুঁড়ে খুঁড়ে পাথর তুলে পরিবেশের বারটা বাজিয়ে দিচ্ছে। এ ধরনের পাথর উত্তোলনের কারনে আমরা বর্তমানে ঝিড়ির পানি থেকে বঞ্চিত ও দৈনন্দিন জীবনে পানির যে প্রয়োজন তা আমরা পাচ্ছি না। এ ঝিড়ির পানির উপরে আমাদের জীবনযাত্রা নির্ভর করে চলে। কিন্তু কিছুক্ষমতাসীন ব্যক্তিদের কারনে আজ আমরা ঝুকিঁর সম্মুখীন হচ্ছি। আমরা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
অবৈধ পাথরের বিষয়ে মুঠোফোন উজ্জ্বল ধর এর সাথে কথা বলেতে চাইলে সে ফোন ধরে অসুস্থ বলে ফোন কেটে দেন।
অবৈধ পাথর উত্তোলনের বিষয়ে রুমা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ শামসুল আলম বলেন, আমরা বিষয়টা জানতাম না। তবে বিষয় টি যেহেতু শুনেছি শীঘ্রই আমরা আইন অনুযায়ী অভিযান চালিয়ে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্হা গ্রহন করবো।
রুমা থানা’র ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো: আবুল কাশেম চৌধুরী সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করে জানতে চাইলে তিনি বলেন,এ বিষয়ে আমাদের কাছে কোন তথ্য ছিল না,তবে এ বিষয়ে যেহেতু শুনেছি দ্রুত ব্যবস্থা নিচ্ছি এবং হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে যারা অবৈধ কাজের সাথে জড়িত এ ধরনের ব্যবসায়ীকে কোন ভাবেই ছাড় দেয়া হবে না।


