নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালীন সময় আন্দোলনকারীদের ওপর হামলার ঘটনায়,বান্দরবান জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ক্যশৈহ্লা, সাধারণ সম্পাদক লক্ষ্ণীপদ দাস সহ ২৮ জন নেতাকর্মীকে আসামি করে বান্দরবান সদর থানায় দুটি মামলা করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) ওয়ার্ড বিএনপির নেতা শামীম হোসেন ও জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বিশেষ ক্ষমতা আইনে এই মামলা দুটি করেন।
মামলার অন্য আসামিরা হলেন,জেলা পরিষদের সদস্য মোজাম্মেল হক বাহাদুর (৪৮), পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি অমল কান্তি দাশ (৫০), পৌর কাউন্সিলর সৌরভ দাশ শেখর (৪৮), যুবলীগ নেতা চৌধুরী প্রকাশ বড়য়া (৪৫), রাজু বড়য়া (৩৮), জেলা সেচ্ছাসেবকলীগের সাধারণ সম্পাদক ফারুক আহমেদ ফাহিম (৩৫), পৌর কাউন্সিলর উমর ফরুক (৪০), যুবলীগ নেতা মো: হাকিম, আবু তৈয়ব চৌধুরী (৩০), মোহাম্মদ আরিফ (২৫), মো: তারেকুল ইসলাম, জেলা পরিষদের সদস্য কাঞ্চন তংঞ্চঙ্গ্যা (৫০), ছাত্রলীগ নেতা রাশেদ চৌধুরী (৪০), পৌর কাউন্সিলর অজিত কান্তি দাশ (৪৫), আওয়ামীলীগ নেতা মো: মহিউদ্দিন (৪৫), যুবলীগ নেতা আকাশ চৌধুরী (২৬),ছাত্রলীগ নেতা সাদ্দাম হোসেন (২২),যুবলীগ নেতা উমর ফারুক (৩৫),শ্রমিকলীগ নেতা রফিকুল ইসলাম (৪৫),যুবলীগ নেতা আলমগীর ড্রাইভার (৩০),নূর মোহাম্মদ কালু (৪৫), মোহাম্মদ নূরু (৪৫), মো: হানিফ (২৮), আক্কাস আলী (৪০),আবু তাহের ওরফে (মুরগী তাহের) (৪৫), মো: ইসমাইল (২৫)।
মামলা সুত্রে জানা যায়, বান্দরবান পৌর এলাকার বিভিন্ন স্থানে দেশে নৈরাজ্য,সরকারি-বেসরকারি সম্পদ ক্ষতিসাধন দেশে অস্থিতিশীল
পরিস্থিতি সৃষ্টি করার লক্ষ্যে অন্তর্ঘাতী কার্য সম্পাদন ও উক্ত কার্য-সম্পাদনের জন্য দাঙ্গার উদ্দেশ্যে
অস্ত্র-শস্ত্রে সজ্জিত অবস্থায় দলবদ্ধ হয়ে সাধারণ জনগনকে গুরুতর জখম, প্রাণনাশের
হুমকি প্রদান এবং হত্যার উদ্দেশ্যে ককটেল বিস্ফোরণের মত অপরাধে লিপ্ত থাকার অভিযোগে সদর থানায় এ মামলা দায়ের করেন।
বান্দরবান সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল জলিল বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান,মামলা নথিভুক্ত করে তা আদালতে পাঠানো হয়েছে।
No tags found for this post.
মন্তব্য করুন