Logo
বাংলাদেশ[bangla_day] , [english_date]
  1. অনিয়ম
  2. অপরাধ
  3. অপহরণ
  4. অর্থনীতি
  5. আইন শৃঙ্খলা
  6. আইন-আদালত
  7. আন্তর্জাতিক
  8. আলীকদম
  9. ইতিহাস ও গল্প
  10. উৎসব

আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা

সুফল চাকমা
আপডেট : December 10, 2025
Link Copied!

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ “সকল নারী ও বালিকাদের বিরুদ্ধে ডিজিটাল সহিংসতা বন্ধে ঐক্যবদ্ধ হোন”—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বান্দরবানে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস উপলক্ষে একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (১০ ডিসেম্বর) বিকেলে বান্দরবান শহরের বিএনকেএস কনফারেন্স হলে এ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

বলিপাড়া নারী কল্যাণ সমিতি (বিএনকেএস)-এর আয়োজনে, সেভ দ্য চিলড্রেন বাংলাদেশ-এর সহযোগিতায় এবং কিংডম অব দ্য নেদারল্যান্ডস-এর অর্থায়নে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস উদযাপন করা হয়।

বিএনকেএস-এর সভানেত্রী নেমকিম বম-এর সভাপতিত্বে এবং বীণা পানি চক্রবর্তীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মিল্টন মুহুরী।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মিল্টন মুহুরী বলেন, মানবের অধিকারই মানবাধিকার। জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার পর ১৯৪৮ সালে মানবাধিকার সনদের মাধ্যমে জাতিসংঘভুক্ত রাষ্ট্রসমূহ মানবাধিকার রক্ষায় অঙ্গীকারবদ্ধ হয় এবং সে সময় থেকেই ১০ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস হিসেবে পালন করা হচ্ছে। বাংলাদেশ স্বাধীনতার পর সংবিধানে মানবাধিকার নিশ্চিত করেছে। প্রতিটি নাগরিকের বেঁচে থাকার অধিকার, অন্ন-বস্ত্র-বাসস্থান, শিক্ষা ও চিকিৎসা পাওয়ার মৌলিক অধিকার রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, মানবাধিকার লঙ্ঘনের সূচনা অনেক সময় পরিবার থেকেই ঘটে। অনেক পরিবারে ছেলেদের শিক্ষার সুযোগ দেওয়া হলেও মেয়েরা সে সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়। এভাবেই প্রথমে পরিবারে, পরে সমাজে অধিকার হরণ প্রতিফলিত হয়। তাই মানবাধিকার রক্ষায় পরিবার থেকেই সচেতনতা গড়ে তুলতে হবে।

বিশিষ্ট মানবাধিকার কর্মী অংচ মং মারমা তার বক্তব্যে বলেন, মানবাধিকার সনদে ৩০টি ধারা রয়েছে, যা প্রতিটি মানুষের মৌলিক অধিকার সুরক্ষা নিশ্চিত করে। কোনো রাষ্ট্র বা ব্যক্তি জোর করে কারো অধিকার হরণ করতে পারে না। বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অপব্যবহার ও ডিজিটাল হয়রানি একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে। এ বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে এবং কেউ ভুক্তভোগী হলে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনকেএস-এর উপনির্বাহী পরিচালক উবানু মারমা, নারী হেডম্যান সানুচিং মারমা, হেডম্যান থোয়াই হ্লা প্রু মারমা, বিএনকেএস-এর ট্রেনিং অফিসার পারমিতা চাকমা, ম্যানেজার ভানমুনসিয়াম বম, সাংবাদিক সুফল চাকমাসহ বিভিন্ন মানবাধিকারকর্মী ও সংগঠনের প্রতিনিধিরা।

আরো পড়ুন→বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন ব্যক্তিদের নিয়ে অ্যাডভোকেসি কর্মশালা শুরু