Logo
বাংলাদেশ[bangla_day] , [english_date]
  1. অনিয়ম
  2. অপরাধ
  3. অপহরণ
  4. অর্থনীতি
  5. আইন শৃঙ্খলা
  6. আইন-আদালত
  7. আওয়ামীলীগ
  8. আন্তর্জাতিক
  9. আলীকদম
  10. ইতিহাস ও গল্প

মাইক্রোবাস, জিপ ও পিকআপ মালিক সমিতির চার তথ্য জানতে চেয়ে সমবায় কার্যালয়ে চিঠি

নিজস্ব প্রতিবেদক
আপডেট : January 11, 2026
Link Copied!

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বান্দরবানের মাইক্রোবাস, জিপ ও পিকআপ মালিক সমিতির চারটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানতে চেয়ে জেলা সমবায় কার্যালয়ে লিখিত আবেদন করা হয়েছে।

রোববার (১১ জানুয়ারি) তথ্য অধিকার (তথ্য প্রাপ্তি সংক্রান্ত) বিধিমালা, ২০০৯-এর বিধি ৩ অনুসারে বান্দরবানের এক স্থানীয় বাসিন্দা জেলা সমবায় কার্যালয়ে স্বশরীরে উপস্থিত হয়ে আবেদনপত্রটি দাখিল করেন।

আবেদনকারী জানান, মাইক্রোবাস,জিপ ও পিকআপ মালিক সমিতি সমবায় অধিদপ্তর কর্তৃক নিবন্ধিত একটি প্রতিষ্ঠান। সমিতির দায়িত্বশীলদের কাছে একাধিকবার ফোনে তথ্য জানতে চাওয়া হলেও তারা কোনো তথ্য প্রদান করেননি। ফলে তথ্য অধিকার আইন অনুযায়ী চারটি নির্দিষ্ট তথ্য জানতে আনুষ্ঠানিকভাবে আবেদন করা হয়েছে। সমবায় কার্যালয়ে তথ্য জানতে চেয়ে প্রেরিত নথি দাপ্তরিকভাবে গ্রহনের একটি কপি প্রতিবেদকের হাতে সংরক্ষিত রয়েছে।

এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে জেলা সমবায় কর্মকর্তা ফাতেমা বেগমের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ না করায় কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। পরে সরজমিনে সাক্ষাতের উদ্দেশ্যে জেলা সমবায় কর্মকর্তার কার্যালয়ে গেলে দপ্তরের কর্মচারীরা জানান,তিনি একটি সভায় অংশ নিতে কার্যালয়ের বাইরে রয়েছেন।

প্রসঙ্গত, বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, তৎকালীন মাইক্রোবাস, জিপ ও পিকআপ মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক, বান্দরবান জেলা আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ সদস্য মোজাম্মেল হক বাহাদুরকে সামনে রেখে দীর্ঘদিন ধরে সমিতিটি নানা অনিয়মের মাধ্যমে পরিচালিত হয়ে আসছে, যা এখনও চলমান রয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

সূত্রগুলো আরও জানায়, ভয়ের কারণে দীর্ঘদিন কেউ এসব অনিয়মের বিষয়ে মুখ খুলতে সাহস পাননি। অভিযোগ রয়েছে, কেউ প্রতিবাদ করলে তাকে হুমকি-ধামকি দেওয়া হতো এবং গাড়ির সিরিয়াল বন্ধ করে দেওয়ার মতো চাপ সৃষ্টি করা হতো। মোজাম্মেল হক বাহাদুরের প্রভাব ও ক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে ৭ থেকে ৮ জন ব্যক্তি সমিতির কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করতেন বলেও অভিযোগ উঠেছে।

এছাড়া, গত ৫ আগস্টের পর নতুন করে কয়েকজনকে সমিতির সদস্য করা হয়েছে বলে জানা গেছে, যা নিয়ে অনেক মালিক প্রশ্ন তুলেছেন। তাদের দাবি, কীভাবে এবং কোন প্রক্রিয়ায় নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে সে বিষয়ে কোনো স্বচ্ছ তথ্য দেওয়া হয়নি।

সমিতির বেশিরভাগ দায়িত্ব স্বজনপ্রীতির মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (৭ জানুয়ারি) মাইক্রোবাস, জিপ ও পিকআপ মালিক সমিতির বিভিন্ন অনিয়মের বিষয়টি বান্দরবানের বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও জেলা প্রশাসক শামীম আরা রিনির নজরে আনেন স্থানীয় কয়েকটি গণমাধ্যমকর্মী। সে সময় জেলা প্রশাসক বলেন,

“বান্দরবান জিপ-মাইক্রোবাস মালিক সমিতির অনিয়ম সংক্রান্ত কোনো বিষয় আমার জানা ছিল না। কেউ জানায়নি। তবে আজ যেহেতু বিষয়টি জানতে পেরেছি, আমরা অবশ্যই তা খতিয়ে দেখবো।”

আরো পড়ুন→নির্বাচনের প্রাক্কালে সংখ্যালঘুদের ওপর সহিংসতায় এএলআরডি’র গভীর উদ্বেগ