Logo
বাংলাদেশ[bangla_day] , [english_date]
  1. অনিয়ম
  2. অপরাধ
  3. অপহরণ
  4. অর্থনীতি
  5. আইন শৃঙ্খলা
  6. আইন-আদালত
  7. আওয়ামীলীগ
  8. আন্তর্জাতিক
  9. আলীকদম
  10. ইতিহাস ও গল্প

নাইক্ষ্যংছড়িতে সম্প্রীতি উন্নয়নে মানবিক উদ্দ্যেগ নিলো ১১ বিজিবি

জাহাঙ্গীর আলম কাজল
আপডেট : December 29, 2025
Link Copied!

শীতার্তদের কম্বল,শিক্ষার্থীদের বই ও অসহায় নারীদের সেলাই মেশিন বিতরণ

নাইক্ষ্যংছড়ি প্রতিনিধিঃ বান্দরবানের সীমান্তবর্তী নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলায় পাহাড়ি-বাঙালি জনগোষ্ঠীর মধ্যে সম্প্রীতি ও সামাজিক বন্ধন জোরদারে নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়নের (১১ বিজিবি) উদ্যোগে শীতার্ত মানুষের মাঝে কম্বল, শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ এবং অসহায় নারীদের মাঝে সেলাই মেশিন বিতরণ করা হয়েছে।

রবিবার (২৮ ডিসেম্বর) বেলা সাড়ে ১২টার দিকে নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি) সদরে এ সহায়তা কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়নের (১১ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস কে এম কফিল উদ্দিন কায়েস। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন উপ-অধিনায়ক মেজর আশিক ইকবাল, বাইশারী মডেল স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী ও নূরানী মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল হাফেজ মাওলানা মো. আহসান হাবীব, শিক্ষক মাওলানা মো. হামিদুল হক,ছমুদিয়া ইসলামিয়া তাহফিজুল কুরআন মাদ্রাসা ও এতিমখানার পরিচালক মাওলানা মোস্তাক আহমেদ শওকি, স্থানীয় সাংবাদিকবৃন্দ ও বিজিবির অন্যান্য সদস্যরা।

এসময় বাইশারী মডেল স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী ও নূরানী মাদ্রাসার শিক্ষার্থী মুহাম্মদ মাসুম বিল্লাহ, মুহাম্মদ সালমান, ইউসারা আক্তার ও ইয়ামিনা আক্তারের মাঝে প্রায় ২০ হাজার টাকার বই বিতরণ করা হয়। পাশাপাশি ছমুদিয়া ইসলামিয়া তাহফিজুল কুরআন মাদ্রাসা ও এতিমখানার শিক্ষার্থীদের মাঝে ৫০টি কম্বল এবং অন্যান্য পাহাড়ি, বাঙালি ও হিন্দু সম্প্রদায়ের গরিব-দুঃখী শীতার্তদের মাঝে মোট ২৫০টি কম্বল বিতরণ করা হয়। এছাড়াও একজন অসহায় নারীর হাতে একটি সেলাই মেশিন তুলে দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ানের (১১ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস কে এম কফিল উদ্দিন কায়েস বলেন, “সীমান্ত রক্ষা, চোরাচালান ও মানবপাচার প্রতিরোধের পাশাপাশি সামাজিক নিরাপত্তা ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনাও বিজিবির দায়িত্বের অংশ। পাহাড়ি ও বাঙালি জনগোষ্ঠীর মধ্যে সম্প্রীতি ও পারস্পরিক শ্রদ্ধা বজায় রাখতে আমরা নিয়মিত এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম পরিচালনা করে যাচ্ছি।

তিনি আরও বলেন, “সহযোগিতা ও পারস্পরিক বোঝাপড়ার মাধ্যমে সীমান্তাঞ্চলকে আরও শান্তিপূর্ণ ও স্থিতিশীল রাখা সম্ভব। স্থানীয় জনগণ শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সবসময় অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।”

বিজিবি সূত্র জানায়, জাতীয় নিরাপত্তা ও সীমান্ত রক্ষার পাশাপাশি ‘অপারেশন উত্তরণ’-এর আওতায় পাহাড়ি অঞ্চলে উন্নয়ন, স্থিতিশীলতা ও সামাজিক সম্প্রীতি নিশ্চিত করতে বিজিবির বিভিন্ন জনবান্ধব কার্যক্রম চলমান রয়েছে। শীতবস্ত্র ও শিক্ষা সহায়তা বিতরণ কর্মসূচি তারই ধারাবাহিক অংশ।

আরো পড়ুন→লামায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংঘটন ছাত্রলীগ নেতা গ্রেফতার