Logo
বাংলাদেশ[bangla_day] , [english_date]
  1. অনিয়ম
  2. অপরাধ
  3. অপহরণ
  4. অর্থনীতি
  5. আইন শৃঙ্খলা
  6. আইন-আদালত
  7. আওয়ামীলীগ
  8. আন্তর্জাতিক
  9. আলীকদম
  10. ইতিহাস ও গল্প

কে এস মং-এর উদ্যোগে উন্নত চক্ষু চিকিৎসার জন্য আরো ৫০ জন গেল চট্টগ্রাম

আরাফাত খাঁন
আপডেট : January 5, 2026
Link Copied!

পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের সদস্য কে এস মং-এর উদ্যোগে দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চলের দুঃস্থ ও অসহায় মানুষের জন্য বিনামূল্যে উন্নত চক্ষু চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় রুমা উপজেলার আরও পাঁচজন চক্ষু রোগীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রামে পাঠানো হয়েছে।

চট্টগ্রাম লায়ন্স দাতব্য চক্ষু হাসপাতালের সহযোগিতায় রোয়াংছড়ি ও রুমা উপজেলায় এই বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প আয়োজন করা হয়। ক্যাম্পে প্রাথমিক বাছাই শেষে ৭ম দফায় মোট ৫০ জন রোগীকে চক্ষু অপারেশনের জন্য চট্টগ্রামে নেওয়া হয়।

এর ধারাবাহিকতায় সোমবার (৫ জানুয়ারি) রুমা উপজেলার বাছাইকৃত রোগীদের চট্টগ্রামের লায়ন্স চক্ষু হাসপাতাল ও শেভরন হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছে। রোগীদের সার্বিক দেখভালের দায়িত্বে রয়েছেন ১নং পাইন্দু ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান উহ্লামং মারমা এবং রুমা সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অংসিংনু মারমা। তারা রোগীদের সঙ্গে থেকে সার্বক্ষণিক সহযোগিতা করছেন।

এ বিষয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের সদস্য কে এস মং বলেন,“দুর্গম অঞ্চলের মানুষ অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতার কারণে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হন। একজন মানুষ যদি নিজের চোখে পৃথিবী দেখতে না পারেন, তবে জীবন অনেকটাই অর্থহীন হয়ে পড়ে। এই চিন্তা থেকেই আমার উদ্যোগে চট্টগ্রামের বিশেষজ্ঞ চক্ষু চিকিৎসকরা বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা দিয়ে যাচ্ছেন।”

তিনি আরও জানান, রোয়াংছড়ি ও রুমা উপজেলায় এ পর্যন্ত প্রায় দুই হাজার রোগীকে বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা সেবা দেওয়া হয়েছে।

রাজনৈতিক প্রসঙ্গে কে এস মং বলেন,“ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদ সদস্য প্রার্থী হওয়ার প্রস্তুতি থাকলেও আমার দল পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ায় আমি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছি। তবে পাহাড়ের মানুষের সেবামূলক সব সামাজিক কর্মকাণ্ডে আগামীতেও যুক্ত থাকব।”

প্রসঙ্গত, দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় মানসম্পন্ন চক্ষু চিকিৎসার অভাবে দীর্ঘদিন ধরে বহু মানুষ চোখের বিভিন্ন জটিলতায় ভুগছেন। এই বাস্তবতা বিবেচনায় ধাপে ধাপে প্রত্যন্ত অঞ্চলে বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা সেবা পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। রোয়াংছড়ি ও রুমা উপজেলার পর থানচি, নাইক্ষ্যংছড়ি এবং বান্দরবান সদর উপজেলায়ও এ ধরনের ফ্রি চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে।

দুর্গম এলাকায় এমন মানবিক উদ্যোগের ফলে স্থানীয় জনগোষ্ঠী মানসম্মত চক্ষু চিকিৎসা সেবা পাচ্ছেন—যা নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়।

আরো পড়ুন→বান্দরবানে নিষিদ্ধ হাইড্রলিক হর্ণ ব্যবহার বন্ধে প্রশাসনের অভিযান