নিজস্ব প্রতিবেদক
৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০, ৬:৪৮ অপরাহ্ণ
অনলাইন সংস্করণ
পাঠক সংখ্যা ৫৫৩২ জন

নাইক্ষ্যংছড়ির জনগুরুত্বপর্ণ সড়কটি মরন ফাঁদ,দেখার কেউ নেই

Copy Link

বান্দরবান: নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা সদরে প্রশাসনের মাঝখান দিয়ে শুরু হওয়া সম্প্রতি নাইক্ষ্যংছড়ি-চাকঢালা সড়কের সংস্কার কাজে ব্যাপক অনিয়ম সহ নিন্ম মানের ইটের গুড়া দিয়ে পাতলা ভিটামিনযুক্ত পিচ ঢালাইয়ের কারণে একদিকে যেমন কাজটি এক মাসেরও দীর্ঘ ঠিকেনি  অপরদিকে তখন থেকে দিন দিন মহা গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কটি পরিণত হচ্ছে ভয়ংকর মরন ফাঁদে।

তা ছাড়া এই সংস্কার কাজ চলাকালীন সময়ে অতি নিম্ন মানের কাজ ও দুর্নীতি দৃশ্যমান হলে ব্যবসায়ী, টমটম চালক, রিকসা চালক, পথচারী সহ অনেকেই অভিযোগ করেও কাজ বন্ধ করেনি ঠিকাদার। এমনকি ৪ মে’২০২০ইং বৃষ্টি চলাকালীন সময়েও ঠিকাদারের দোহায় দিয়ে কাজ চালিয়ে গিয়েছিলেন শ্রমিকরা।

এ ছাড়া থানার মোড় থেকে শুরু হওয়া এই রাস্তাটি দশ গজও বাকী নেই খানাখন্দ ও গর্ত ছাড়া। যার কারণে জন গুরুত্বপূর্ণ নাইক্ষ্যংছড়ি-চাকঢালা সড়কটিতে বাই সাইকেল, মোটর সাইকেল, অটো রিকসা, টম টম, সিএনজি চালকদের জন্য যে কোন সময় অপেক্ষা করছে বড় কোন দুর্ঘটনা।

এ ছাড়া সুস্থ যাত্রীরাও এ রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় প্রচন্ড ঝাকুনি খেতে খেতে অসুস্থ হয়ে পড়ে। একটু বৃষ্টিই যেন এই সড়কে যাতায়তকারী মানুষের জন্য আশির্বাদের বদলে অভিশাপ। বর্তমানে রাস্তাটি দিয়ে যানবাহন তো দুরের কথা পায়ে হেঁটে চলাচল করাও দুষ্কর হয়ে পড়েছে। যেটি দেখলে মনে হয় এ যেন এক পরিত্যাক্ত অভিভাবকহীন সড়কটি দেখার কেউ নেই । অথচ এই সড়কটি নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা সদর ইউনিয়নের প্রান কেন্দ্রে। যেখানে রয়েছে হাজারো মানুষ গড়ার কারখানা সরকারি কলেজ, আলিম মাদরাসা, হাই স্কুল, প্রাইমারি স্কুল সহ বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান। নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা সদরের বিভিন্ন দুর-দুরান্ত থেকে আসা এসব প্রতিষ্ঠানের কোমলমতি শিক্ষার্থীরা সহ নিত্যদিন হাজার হাজার মানুষ সীমাহীন ভোগান্তি স্বীকার করে জীবনের ঝুকি নিয়েই চলতে বাধ্য হচ্ছে গুরুত্বপূর্ণ এ সড়ক দিয়ে।

এ বিষয়ে জনতে চাইলে নাইক্ষ্যংছড়ি সদর ইউপি চেয়ারম্যান নুরুল আবছার ইমন বলেন এ রাস্তাটা নিয়ে অনেকবার কর্তৃপক্ষের কাছে যোগাযোগ করেও কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে-না।

জানা যায়, বান্দরবান সড়ক ও জনপদ বিভাগের নাইক্ষ্যংছড়ি-চাকঢালা সড়কের ২০ লক্ষ টাকার এ কাজটি পায় ইউনুছ এন্ড ব্রাদার্স নামের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানটি। যাহার তত্ত্বাবধায়নে ছিলেন সাইফুদ্দিন হারুন। দেখাশুনা করেছেন আবু হান্নান। এমন নিম্ন মানের কাজটি দেখলে স্বয়ং ঠিকাদাররাও লজ্জিত হওয়ার কথা বলে জানান সচেতন মহল।

রাস্তাটি রক্ষা ও সংস্কারের জন্য মাননীয় পার্বত্য বিষয়ক মন্ত্রী বীর বাহাদুর এমপি মহোদয়ের হস্তক্ষেপ কামনা করেন এলাকাবাসী।

Facebook Comments Box

No tags found for this post.

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

চকরিয়ায় ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠানে বিজিবির মানবিক ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

রুমার দুর্গম এলাকায় সেনাবাহিনীর উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

আলীকদমে ত্রাণ নিতে আসা ১ হাজার পরিবারকে পরিবহন সুবিধাও দিলো খুইল্যা মিয়া ফাউন্ডেশন

শনিবার খুলছে কাপ্তাই বাঁধের ১৬টি জলকপাট, নিম্নাঞ্চলে সতর্কতা জারি

বিনামূল্য চক্ষু শিবির থেকে বাছাইকৃত ১০০ রোগীকে ২০ জুলাই পাঠানো হবে চট্টগ্রামে

রাঙামাটিতে ‘জুলাই শহীদ দিবস’ অনুষ্ঠানে এমপি দীপেন দেওয়ান

নাইক্ষ্যংছড়িতে জুলাই শহিদ দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

আলীকদমে বন্যা দুর্গতদের পাশে দক্ষিণ কোরিয়া প্রবাসী শুভল মনি তঞ্চঙ্গ্যা

আলীকদমের ইউপি চেয়ারম্যানসহ ৪ জনপ্রতিনিধি বরখাস্ত

পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর শিক্ষা ও জীবনমান উন্নয়নে সেনাবাহিনীর মানবিক উদ্যোগ

১০

বন্যাকবলিত তারাছা ইউপির তালুকদার পাড়ায় এখনো পৌঁছায়নি সরকারি কোনো সহায়তা

১১

বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের খাদ্য সহায়তা পেল রুমা উপজেলা

১২

ছবিতে দেখুন বান্দরবানের বন্যা পরবর্তী পরিস্থিতি

১৩

বান্দরবানে মাত্র ৫’শত টাকার জন্য খুন হলেন এক ব্যক্তি

১৪

২০ লাখ ইয়াবাসহ ঘুমধুম সীমান্ত থেকে এক মাদক কারবারি আটক

১৫

নাইক্ষ্যংছড়িতে দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের ত্রাণ সহয়তা দিলো জামায়াত ইসলামী

১৬

থানচিতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা দিয়েছে বিজিবি

১৭

প্রবীণ ব্যক্তিত্ব মংসিংগ্য মারমার প্রয়াণে আঞ্চলিক পরিষদ সদস্য কে এস মং-এর গভীর শোক

১৮

বান্দরবানে বন্যার্ত ২০ পরিবারের পাশে দাঁড়াল স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন অরন্য দৃষ্টি

১৯

বান্দরবানে বন্যাকবলিত ১৪৫ পরিবার-কে ত্রাণ দিলো মেজর (অব.) ওয়াং টিং

২০
error: Content is protected !!