Logo
বাংলাদেশ[bangla_day] , [english_date]
  1. অনিয়ম
  2. অপরাধ
  3. অপহরণ
  4. অর্থনীতি
  5. আইন শৃঙ্খলা
  6. আইন-আদালত
  7. আওয়ামীলীগ
  8. আন্তর্জাতিক
  9. আলীকদম
  10. ইতিহাস ও গল্প

কে এস মং” এর উদ্যোগে রুমায় ৬৪৮ জন রোগী পেলো ফ্রি চক্ষু চিকিৎসা সেবা

আরাফাত খাঁন
আপডেট : October 20, 2025
Link Copied!

পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ সদস্য কে এস মং-এর উদ্যোগে বান্দরবানের রুমা উপজেলায় প্রান্তিক জনপদে দুঃস্থ-অসহায় মানুষের সেবায় দিনব্যাপী বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা সেবা ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (২০ অক্টোবর) আঞ্চলিক পরিষদ সদস্য কে এস মং”এর উদ্যোগে চট্টগ্রাম লায়ন্স দাতব্য চক্ষু হাসপাতালের সহযোগীতায় দিনব্যাপী এ-চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়।

চট্রগ্রামের লায়ন্স দাতব্য চক্ষু হাসপাতালের তিনজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকসহ আট জনের একটি মেডিকেল টিম শতাধিক নারী পুরুষ কে বিনামূল্যে চক্ষু পরীক্ষা,পরামর্শপত্র,চশমা ও চোখের ছানি অপারেশন ইত্যাদি সেবা প্রদান করেন।

এসময় ১নং পাইন্দু ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান উহ্লামং মারমার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মেজর মেহেদী হাসান সরকার পিএসসি উপ অধিনায়ক রুমা জোন, অনুষ্ঠানের শুভ উদ্ধোধন করেন পার্বত্য আঞ্চলিক পরিষদের সদস্য কে এস মং। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরো উপস্থিত ছিলেন, রুমা থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ সরওয়ার্দী। উ.নান্দিয়া থের, নিবাহী পরিচালক, অগ্রবংশ অন্যত্থালয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি মেজর মেহেদী হাসান সরকার পিএসসি বলেন, “এত সুন্দর একটি আয়োজনের জন্য আমি পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের সদস্য কে এস মংকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি। আজ এই চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্পে বিপুল জনসমাগম দেখে আমি অত্যন্ত আনন্দিত। রুমার মতো দুর্গম এলাকায় এমন ক্যাম্প আয়োজনের ফলে স্থানীয়রা মানসম্মত চক্ষু চিকিৎসা সেবা পাচ্ছেন—এটি সত্যিই প্রশংসনীয় উদ্যোগ। পরিশেষে, আমি ধন্যবাদ জানাই কে এস মংসহ রুমার চার ইউনিয়নের চেয়ারম্যানদের, যাদের সহযোগিতায় এই আয়োজন সফল হয়েছে”।

অনুষ্ঠানের কে এস মং বলেন, একজন মানুষ নিজের চোখ দিয়ে যদি পৃথিবী দেখতে না পারে তাহলে বেঁচে থাকাই মূল্যহীন। তাই চট্টগ্রামের চক্ষু চিকিৎসকরা রুমা উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের প্রায় ১০০০ জনকে বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসার প্রদানের প্রস্তুতি নিয়ে এসেছে। চোখে ছানি পড়া বা চোখের অপারেশন করতে হবে এরকম প্রতি রোগীদের বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবার জন্য ৬০ হাজার করে বরাদ্দ করেছেন চট্রগ্রামের লায়ন্স দাতব্য চক্ষু হাসপাতাল।

দিনব্যাপী এই আয়োজনে মোট ৬৪৮ জন চোখের রোগীকে চিকিৎসা ফ্রি ড্রপ ও ওষুধ বিতরণ এবং ২৬২ জন চোখের ছানী পড়া রোগী সনাক্ত হয়েছে। ২৮০ জনকে চশমা হয়। ছানী পড়া রোগীদের পরবর্তীতে অক্টোবর চট্টগ্রাম লায়ন্স দাতব্য চক্ষু হাসপাতালে অপারেশন করার কথা জানিয়েছেন চক্ষু চিকিৎসা সেবা প্রধানকারি প্রতিষ্ঠান চট্টগ্রামের লায়ন্স দাতব্য চক্ষু হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

চক্ষু চিকিৎসা সেবা ক্যাম্পে আরো উপস্থিত ছিলেন, চট্টগ্রাম লায়ন্স দাতব্য চক্ষু হাসপাতালের কো অর্ডিনেটর মো: জসিম উদ্দিন, মেডিকেল অফিসার ডা: সৌমেন তালুকদার, অপথালমোলজি এসিস্ট্যান্ট মো: সাইফুল আজম, মেডিকেল এইসস্টেন্ট মোঃ নুরুল আফসার, এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও জেলার বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ।

অনুষ্ঠানের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিলেন রুমা উপজেলার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানবৃন্দ উহ্লামং মারমা, অংসিংনু মারমা, জিরা বম, মেনরত ম্রো।

আয়োজকরা জানান, পাহাড়ের দুর্গম এলাকায় মানসম্পন্ন চক্ষু চিকিৎসা যেন সোনার হরিণ। দুর্গম এলাকার খেটে খাওয়া মানুষের দোরগোড়ায় বিনামূল্যে এই সেবা পৌঁছে দিতে পেরে তারা কৃতজ্ঞ। তাদের লক্ষ্য—বান্দরবানের প্রত্যন্ত এলাকায় ধাপে ধাপে বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা সেবা পৌঁছে দেওয়া। রুমা উপজেলার পর থানচি উপজেলাতেও অনুরূপ ফ্রি চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে।

আরো পড়ুন→থানচিতে বিএনকেএস–এর আয়োজনে শিশু অধিকার সপ্তাহ পালিত