Logo
বাংলাদেশ[bangla_day] , [english_date]
  1. অনিয়ম
  2. অপরাধ
  3. অপহরণ
  4. অর্থনীতি
  5. আইন শৃঙ্খলা
  6. আইন-আদালত
  7. আওয়ামীলীগ
  8. আন্তর্জাতিক
  9. আলীকদম
  10. ইতিহাস ও গল্প

খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের গুড ফ্রাইডে উপলক্ষে বান্দরবানে সেনাবাহিনীর মানবিক সহায়তা

রেমবো ত্রিপুরা
আপডেট : April 18, 2025
Link Copied!

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীর গুড ফ্রাইডে উপলক্ষে রুমা উপজেলার সুংসুং পাড়া সাব জোনের অন্তর্গত প্রত্যন্ত পাহাড়ি অঞ্চলের সুংসুং পাড়া এবং পুরাতন রোমানা পাড়ার জনগোষ্ঠীর সাথে ১৬ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট অধিনায়ক সৌজন্য সাক্ষাৎ ও সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে মানবিক সহায়তা ও চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হয়েছে।

শুক্রবার দুপুরে সুংসুং পাড়া সাবজোনের সুংসুং পাড়া এবং পুরাতন রোমানা পাড়ায় গুড ফ্রাইডে উপলক্ষে ১৬ ইস্ট বেঙ্গল অধিনায়ক উপস্থিতিতে পাড়াবাসির সাথে একটি সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, দি ম্যাজেস্ট্রিক টাইগার্স অধিনায়ক, লেফটেন্যান্ট কর্ণেল সরদার জুলকার নাঈন, বিএসপি, পিএসসি, লেফটেন্যান্ট কর্নেল সৈয়দ আতিকুল করিম, পিএসসি। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন, সুংসুং পাড়া সাবজোনের ক্যাম্প অধিনায়ক, মেজর মুহাম্মদ আরাফাত রোকনী, কারবারিবৃন্দ, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, ধর্মযাজক, শিক্ষক ও পাড়ার সদস্যগণসহ দুই শতাধিক লোক উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান অতিথি বলেন, বাংলাদেশ ধর্মীয় সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। আবহমানকাল ধরে এ ভূখণ্ডে বিভিন্ন ধর্ম ও বর্ণের মানুষ শান্তিপূর্ণভাবে সহাবস্থান করে আসছে। আমাদের সংবিধানে সকল ধর্মের সমান অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে এবং ধর্মীয় স্বাধীনতা এ দেশের মানুষের এক অবিচ্ছেদ্য বৈশিষ্ট্য।

এদেশের মানুষ ধর্মকে ব্যক্তিগত বিশ্বাস ও আচার-আচরণের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখে। ঈদ, পূজা, বড়দিন কিংবা বৌদ্ধ পূর্ণিমা – প্রতিটি ধর্মীয় উৎসব এখানে সার্বজনীন রূপ লাভ করে। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলে একে অপরের উৎসবে শামিল হয়, শুভেচ্ছা বিনিময় করে এবং আনন্দ ভাগ করে নেয়। এই আন্তরিকতা ও সহমর্মিতা আমাদের সামাজিক বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করে।

প্রধান অতিথি পাড়ার গণমান্য ব্যক্তিবর্গদের সাথে খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীর গুড ফ্রাইডে উদযাপন উপলক্ষে কেক কাটেন। এছাড়াও জন উন্নয়নমূলক কাজের অংশ হিসেবে উভয় পাড়ায় একটি বিশেষ মেডিকেল ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হয়। এই ক্যাম্পেইনে শতাধিক বম জনগোষ্ঠী‌ চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করেন।

এছাড়াও পাড়া বাসি ৪০ জন দুস্থ বম সম্প্রদায়ের জনগনের মাঝে জনকল্যাণকর কাজের অংশ হিসেবে খাদ্য সামগ্রী চাল, চিনি, ডাল, লবন, তেল বিতরণ করা হয়।

১৬ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের অধিনায়ক এলাকার মানুষদেরকে সন্ত্রাসবাদ এবং দেশের বিরুদ্ধে ছড়ানো ভুল তথ্যের বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসকারী সকল জাতিগোষ্ঠীর মানুষের যেকোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এবং বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠানে নিয়মিতভাবে সাহায্য করে আসছে। পরিশেষে অধিনায়ক উল্লেখ করেন, ভবিষ্যতেও বাংলাদেশ সেনাবাহিনী পার্বত্য অঞ্চলের ভিন্ন সম্প্রদায়ের জনগোষ্ঠীর মানুষের প্রয়োজনে সর্বদা তাদের পাশে থেকে সহযোগিতা এবং উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখবে।

আরো পড়ুন→নাইক্ষ্যংছড়িতে চাক নৃ-গোষ্ঠীর পানি খেলা উৎসব ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান মহাধুমধামে সম্পন্ন