নিজস্ব প্রতিবেদক
২৪ অক্টোবর ২০২৪, ২:৫৯ অপরাহ্ণ
অনলাইন সংস্করণ
পাঠক সংখ্যা ৬০০৩ জন

আলীকদমে থানার মধ্যে ওসির হাতে নির্যাতনের শিকার এক যুবক

Copy Link

ডেস্ক নিউজঃ গত ১৯ মার্চ আলীকদম উপজেলার নয়াপাড়া এলাকা থেকে আলীকদম থানার এএসআই জামান মিয়া ও রাশেদুল নামে দুই পুলিশ ঘটনার দিন রাতে জালাল উদ্দীন নামক সেই যুবক কে তুলে নিয়ে আসেন পরবর্তীতে ওসির রুমে নিয়ে গিয়ে বিনামূল্যে গরু না দেয়ায় মারধর করেন আলীকদম থানার ওসি (অফিসার ইনচার্জ) খন্দকার তবিদুর রহমান।

 ১ লাখ ১০ হাজার টাকা মুক্তিপন দিয়ে ২০ মার্চ সকালে থানা থেকে ছাড়া পান জালাল উদ্দিন। এমন অভিযোগ তুলে আইজিপি ও পুলিশ সুপার বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন জালাল উদ্দিন।

প্রাপ্ত অভিযোগে উল্লেখ করা ছিল:

আলীকদম উপজেলার নয়াপাড়া ইউনিয়নের মোক্তার সর্দার পাড়ার বাসিন্দা মোঃ ইউনুছের ছেলে জালাল উদ্দিন গত ১৯ মার্চ আনুমানিক রাত আটটার দিকে স্থানীয় আজিজের দোকান থেকে আলীকদম থানার এএসআই জামান মিয়া ও রাশেদুল ইসলাম জালালকে বলেন তোমাকে থানায় যেতে হবে, ওসি স্যার ডেকেছেন বললে জালাল কেনো জিজ্ঞেস করলে তোমার সাথে ওসি স্যার কথা বলবেন বলে তাকে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।

জালাল অভিযোগে বলেন তাকে ওসির কক্ষে নিয়ে গিয়ে ওসি খন্দকার তবিদুর রহমান প্রশ্ন করেন ‘তোমাকে জামান মিয়া একটি গরু দেয়ার কথা বলেছিল, দাওনি কেন?’ জালাল উত্তরে বলেন, ‘আমি গরুর ব্যবসা করি না, কোথা থেকে দিবো’। এরপর ওসি রেগে গিয়ে এএসআই জামানকে নির্দেশ দেন, ‘এরে মেঝেতে শুইয়ে দাও।’ নির্দেশ মতো এএসআই জামান জালালকে মেঝেতে শুইয়ে দেন। এরপর ওসি নিজে জালালের পায়ের ওপর পা দিয়ে চেপে ধরে প্লাস্টিকের পাইপ দিয়ে পেটাতে শুরু করেন।

জালাল জানায়, থেমে থেমে তাকে প্রায় ২ ঘন্টা মারধর করা হয়। রাতে জালালের পিতা মোঃ ইউনুচ খবর পেয়ে থানায় গেলে ৫ লাখ দাবী করা হয়। এ সময় দাবীকৃত টাকা না দিলে ওসির টেবিলে রাখা ৪ প্যাকেট ইয়াবা ট্যাবলেট দিয়ে চালান করার হুমকী দেওয়া হয়। পরে অনেক অনুরোধে ২ লাখ টাকায় ওসি খন্দকার তবিদুর রহমান রাজি হন।

পরেরদিন সকালে জালালের পিতা থানায় গিয়ে স্থানীয় চেয়ারম্যান কফিলের মধ্যস্থতায় নগদ ১ লাখ ১০ হাজার টাকা দিয়ে নির্যাতনের শিকার জালালকে থানা থেকে নিয়ে আসেন।

এবিষয়ে জানতে চাইলে এএসআই জামান বলেন উপর এর নির্দেশ পালন করেছি আমি এর চেয়ে বেশি কিছু বলতে পারবোনা।

এবিষয়ে ওসি খন্দকার তবিদুর রহমান অভিযোগ পেয়ে তাকে থানায় আনা হয়। মারধরের ও টাকা নেয়ার অভিযোগ ভিত্তিহীন।

(আরো পড়ুন)

গোপনে আলীকদম ত্যাগ করেছেন ওসি খন্দকার তবিদুর রহমান।

https://paharkantho.com/news/23582

Facebook Comments Box

No tags found for this post.

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

Betssonbet — guía completa

নাইক্ষ্যংছড়িতে শিক্ষার্থীদের সাথে নিয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন

নাইক্ষ্যংছড়িতে মতবিনিময় ও আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

Casino Spinbetter — complete guide

প্রকাশিত সংবাদের জন্য দুঃখ প্রকাশ

Chainluck casino login — complete guide

প্রকৌশলী নন, তবুও প্রকল্পের পিডি নজরুল ইসলাম: আইএমইডি প্রতিবেদনে বেরিয়ে এলো একাধিক অনিয়ম

মাদক নির্মূলে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে: চট্টগ্রাম রেঞ্জ ডিআইজি

মাদক মামলার আসামিদের জামিন নিয়ে এমপি দীপেন দেওয়ানের কঠোর বার্তা

রোয়াংছড়ির কৃতিসন্তান মাওসেতুং আজ জেলা পরিষদ সদস্য হিসেবে শপথ নিয়েছেন

১০

ছাত্রদল, পরে বিএনপি থেকে বান্দরবান জেলা পরিষদ সদস্য জসিম উদ্দীন তুষার

১১

নাইক্ষ্যংছড়িতে ২১৫ পিস ইয়াবা ও গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছ পুলিশ

১২

সাবেক জেলা পরিষদ সদস্য থেকে আবারও পরিষদে লুসাই মং

১৩

দেশের প্রকৃত মালিক জনগণ, সরকার জনগণের সেবক: প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল

১৪

সদর উপজেলা বিএনপি নেতা চনু মং এখন বান্দরবান জেলা পরিষদের সদস্য

১৫

নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে বাঁশ কাটতে গিয়ে প্রাণ গেল সাইফুলের, দুই পা বিচ্ছিন্ন

১৬

রাঙ্গামাটি গোল্ড কাপ ফাইনালে লড়াই হবে চন্দ্রঘোনা বনাম রিজার্ভ বাজার

১৭

বান্দরবান জেলা পরিষদের নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান মাম্যাচিং–কে গণসংবর্ধনা

১৮

পার্বত্য জেলা পরিষদের অনিয়ম-দুর্নীতির বিচার তদন্তের মাধ্যমে করা হবে: প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল

১৯

জেলা পরিষদ গঠনে আমার মতামত নেওয়া হয়নি: এমপি দীপেন দেওয়ান

২০
error: Content is protected !!