রুমা(বান্দরবান)প্রতিনিধিঃবান্দরবানে রুমা উপজেলায় ৩য় ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নিবার্চনে মোটা অংকের অর্থের বিনিময়,ভোট কারচুপি ও অনিয়মের অভিযোগে উপজেলা শিক্ষা অফিসারের নিকট লিখিত অভিযোগ করেছেন সদর ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য পদপ্রার্থী(ফুটবল মার্কা) মংএসিং মারমা।
গত ২৮শে নভেম্বর রুমায় অনুষ্ঠিত ইউপি নিবার্চনের ভোটগ্রহণে ২নং রুমা সদর ইউনিয়নের ৬নংওয়ার্ডে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীদের ভোট গণনার মধ্যে কারচুপি না থাকলেও মেম্বার পদপ্রার্থীদের অনিয়ম ও নিরপেক্ষ ভোট গণনার মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে অর্থ আত্মসাত করেছেন বলে দাবি করেছেন সদস্য পদপ্রার্থী।
নিবার্চন অবাধ সুষ্ঠ ,নিরপেক্ষ ভোট গণনার মিথ্যা আশ্বাস ও প্রলোভন দেখিয়ে সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার,বগামুখ পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক,আমির হোসেন নয়ন ২১শে নভেম্বর সকালে নগদ ৫০হাজার টাকা নেয়।
ভোট কারচুপি (রদবদল) ও প্রত্যক্ষ পক্ষপাতদুষ্ট প্রতিফলিত হলে ভোটের ফলাফল প্রকাশের সাথে সাথে,পুনরায় ভোট গণনা করতে উপজেলা রিটানিং কর্মকর্তার নিকট মংএসিং মারমা, শৈক্যচিং মারমা ও মংথোয়াই মারমাসহ তিন প্রার্থী যৌথ স্বাক্ষরিত অভিযোগ দাখিল করেন।
ভোট কারচুপি ও টাকার বিনিময়ে জিতিয়ে দেওয়ার প্রলোভনের বিষয়ে জানতে চাইলে সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার আমির হোসেন নয়ন সাংবাদিকের বলেন, আমি এই বিষয়ে কিছুই জানি না,আসলে নিজ স্কুলে দায়িত্ব পালন করাতে সবাই সন্দেহের চোখে দেখছে। অথচ এগুলোর ধারের কাছে আমি নাই। তিনি আরো বলেছেন, কি আর করা কেউ ঠকাতে চাইলে তো আমার কিছুই করার নাই।
যে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সে স্কুলে (কেন্দ্রে) নিবার্চনের সময় প্রিজাইডিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করার কোন নিয়ম আছে কি-না জানতে চাইলে রুমা উপজেলা নিবার্চন কর্মকর্তা তরুন চাকমা মুঠোফোনে বলেন, দায়িত্ব দিতে চাইলে পারি, না চাইলেও পারি। এমন মন্তব্য করেছেন তিনি।
অভিযোগ দাখিলের বিষয়ে শিক্ষা বিভাগের কর্মকর্তা আশিষ চিরান’র সাথে একাধিক ফোন যোগাযোগ করা হলে তিনি কল ধরেন নি।


