প্রেস বিজ্ঞপ্তি।বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজারে পর্যটন স্পটগুলো বন্ধ থাকায় পর্যটন নির্ভর পেশাজীবী মানুষের করুন অবস্থায় দিন যাচ্ছে।
এখন তারা অসহায় হয়ে পড়ছে। সরকারের এই দীর্ঘ লকডাউন এর কারণে পর্যটন স্পট থেকে কোটি কোটি টাকার রাজস্ব তহবিলে ব্যাঘাত ঘটছে।
একদিকে সরকারের রাজস্ব হারাচ্ছে অন্যদিকে পর্যটন নির্ভর মানুষগুলো অসহায় দিনযাপন করছে।
ইতিমধ্যে সরকারের বিভিন্ন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী হোটেল-মোটেল এবং রেস্তোরাঁগুলো সর্তসাপেক্ষে স্বাস্থ্যবিধি মেনে অর্ধেক আসনে খুলে দেওয়ার প্রজ্ঞাপন জারি করলেও কক্সবাজার পর্যটন স্পট বন্ধ থাকায় কক্সবাজার থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে।
এতে কক্সবাজারের সকল আবাসিক হোটেল মোটেল জোনে ব্যবসায়ীরা প্রচুর ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে।
মাননীয়া সরকারের পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কক্সবাজারের পর্যটন স্পট অতিশিগ্রই খুলে দেওয়ার জন্য জোর দাবি জানাচ্ছেন কক্সবাজারের পর্যটন নির্ভর সকল পেশাজীবী ও সাধারণ মানুষ।
এদিকে কক্সবাজারের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যাচ্ছে কক্সবাজারের পর্যটন নির্ভর মানুষ গুলো খুবই কষ্টের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে।
তাদের অবস্থা এখন নুন আনতে পান্তা ফুরায় এমন অসহায় মানুষের প্রতি চিন্তাভাবনা করে অতি শীগ্রই পর্যটন স্পটগুলো খুলে দেওয়া প্রয়োজন বলে মনে করেন স্থানীয় জনসচেতন মহল।
অতি শীগ্রই পর্যটন স্পট খুলে দেওয়া না হলে হোটেল-মোটেল মালিক এবং যারা হোটেল ভাড়া নিয়ে পর্যটন ব্যবসা করে তারা লক্ষ লক্ষ টাকা ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে।
বর্তমানে হোটেল-মোটেল সীমিত পরিসরে খুলে দেওয়ার আশ্বাস দিল কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত ও পর্যটন এলাকার পর্যটক নিদর্শনগুলো খুলে না দিলে আবাসিক হোটেল মোটেল জোন গুলো পর্যটক শূন্য হয়ে থাকবে।
কক্সবাজার পর্যটন নির্ভর একটি বাংলাদেশের অন্যতম জেলা । আর যেখানেই পর্যটন স্পট বন্ধ থাকবে সেখানে আবাসিক হোটেল মোটেল জোন এলাকায় ব্যবসায়ীরা চরম বিপাকে।
অতি শীগ্রই জেলা প্রশাসন এবং সরকারের প্রতি আকুল আবেদন জানাচ্ছি কক্সবাজারের পর্যটন স্পটগুলো খুলে দিয়ে পুনরায় পর্যটন নির্ভর মানুষগুলোর জীবন জীবিকা নির্বাহ করার সুযোগ করে দিন।


