বিগত ২০২৪ সালের জুলাই আগষ্ট ঘিরে কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে ক্ষমতার লোভে সাবেক প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে ছাত্রজনতার উপর নির্মম হত্যাকাণ্ড চালায় সরকারি বাহিনী ও আওয়ামীলীগ যুবলীগের সন্ত্রাসীরা। ৫ আগষ্ট ছাত্রজনতার ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে পালিয়ে যায় স্বৈরাচারী সরকারের প্রধান শেখ হাসিনা। পতন হয় ফ্যাসিস্ট সরকার আওয়ামীলীগের। সেই ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের ১ বর্ষপূর্তিতে বান্দরবানে জেলা বিএনপি’র আয়জনে বিজয় মিছিল ও সমাবেশ করা হয়।
বুধবার (৬ আগষ্ট) বিকেলে বান্দরবান জেলা বিএনপি’র আহ্ববায়ক সাচিং প্রু জেরী’র নেতৃত্বে জেলা সদরের ঐতিহাসিক রাজার মাঠ হতে বিজয় মিছিল শুরু হয়ে জেলা সদরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে শহীদ আবু সাঈদ মুক্ত মঞ্চে এসে গণসমাবেশে পরিণত হয়।
বিজয় মিছিল পরবর্তী সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বান্দরবান জেলা বিএনপির আহ্বায়ক সাচিং প্রু জেরী, সদস্য সচিব জাবেদ রেজা।
এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যাপক ওসমান গণি,যুগ্ম আহবায়ক, লুসাই মং,জাহাঙ্গীর আলম, বাবু রিটল কান্তি বিশ্বাস, জসীম উদ্দিন তুষার, মুজিবর রশিদ, জেলা মহিলাদলের আহ্ববায়ক কাজী নিরুতাজ বেগম, সদস্য সচিব এডভোকেট মাধবী মারমা, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক উম্মে কুলসুম লিনা। বান্দরবান জেলা যুবদল সভাপতি, জহির উদ্দিন মাসুম, সাধারণ সম্পাদক আরিফুল ইসলাম চৌধুরী, বান্দরবান জেলা স্বেচ্ছাসেবকদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক অমিত ভূষণ তঞ্চঙ্গ্যা, যুগ্ম আহ্বায়ক আনিসুর রহমান মোহন, রেজাউল করিম সোহেল, ওমর ফারুক জিহাদ। সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকদলের আহবায়ক হারুন, পৌর স্বেচ্ছাসেবকদলের আহবায়ক, আশরাফুর রহমান প্রমুখ। আরো উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান জেলা বিএনপি ও বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীগণ।
এসময় জুলাই আগষ্ট গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের স্মরণে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়, পরবর্তীতে সমাবেশে বক্তারা তরুণদের ভোট অধিকার ফিরিয়ে দিয়ে, সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচিত সরকার-কে ক্ষমতায় এনে সুন্দর ও দুর্নীতি মুক্ত বাংলাদেশ গঠনের আহ্বান জানান।
আরো পড়ুন→জুলাই গণহত্যার বিচারের দাবিতে নাইক্ষ্যংছড়িতে জামায়াতের গণমিছিল অনুষ্ঠিত


