Logo
বাংলাদেশ[bangla_day] , [english_date]
  1. অনিয়ম
  2. অপরাধ
  3. অপহরণ
  4. অর্থনীতি
  5. আইন শৃঙ্খলা
  6. আইন-আদালত
  7. আওয়ামীলীগ
  8. আন্তর্জাতিক
  9. আলীকদম
  10. ইতিহাস ও গল্প

নানা আয়োজনে রাঙামাটিতে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে সাফ জয়ী তিন পাহাড়ি কন্যাকে

ডেস্ক নিউজ
আপডেট : November 23, 2024
Link Copied!

ডেস্ক নিউজঃ শনিবার (২৩ নভেম্বর) দুপুরে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে রাঙামাটি মারি স্টেডিয়াম সংবর্ধনা দেয়া হয় সাফ জয়ী বাংলদেশে নারী ফুটবল দলের তিন পাহাড়ি কন্যা রূপনা চাকমা, ঋতুপর্ণা চাকমা ও মনিকা চাকমা কে।

রাঙামাটি জেলা প্রশাসনের এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজনে সার্বিক সহযোগিতা করে রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ,পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড ও রাঙামাটি রিজিয়ন।

এই তিন খেলোয়াড়ের পড়ালেখা ও ফুটবল খেলা শুরু যেই বিদ্যালয় থেকে সেই ঘাগড়া উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ থেকে ফুলে সজ্জিত খোলা ট্রাকে করে বিশাল গাড়ি বহর সহ নিয়ে আশা হয় শীতল পাহাড়ের রাঙ্গাপথ ধরে রাঙামাটির রাঙ্গামাটি।

এই তিন খেলোয়াড়ের মধ্যে এবারের সাফ আসরের সেরা ফুটবলার ঋতুপর্ণা চাকমার বাড়ি কাউখালি উপজেলায়, নানিয়ারচরে বাড়ি সেরা গোলরক্ষক রুপনা চাকমার। অন্যদিকে মনিকা চাকমার বাড়ি পার্বত্য আরেক জেলা খাগড়াছড়ির লক্ষিছড়িতে। কিন্তু তাদের তিনজনেরই লেখাপড়া ও খেলাধুলা ঘাগড়া উচ্চবিদ্যালয়ে। আর ঘাগড়া উচ্চ বিদ্যালয়কে সরকারীকরণের দাবি এই তিন খেলোয়াড়ের।

গাড়িবহর ঘাগড়া থেকে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে রাঙামাটির বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে মারি স্টেডিয়ামে পৌঁছালে এই তিন খেলোয়াড় ও তাদের কোচদের উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান রাঙ্গামাটিবাসী। সেখানে বিভিন্ন সরকারি, সামাজিক, ক্রীড়া ও রাজনৈতিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা সম্মাননা স্মারক ও ক্রেস্ট প্রদান করেন তাদের। এ সময় তাদের কোচ ও সহযোগী ৭ জনকেও সংবর্ধনা দেওয়া হয়। সম্মাননা স্মারক বাদেও প্রত্যেক খেলোয়াড় কে ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা করে নগদ অর্থ প্রদান করা হয়। একইসঙ্গে সংবর্ধনা দেওয়া হয় ফিফা নারী রেফারি জয়া চাকমাকেও।

ক্রীড়া সংগঠকরা জানান,এদের অর্জন শুধু রাঙামাটি নয় দেশের অর্জন। তাই আগামীতেও এ অর্জন ধারাবাহিকভাবে চলমান রাখার চেষ্টা থাকবে তেমনটাই প্রত্যাশা করছি আমরা।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত সেনাবাহিনীর রাঙামাটি রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শওকত ওসমান বলেন, ফুটবলাররা দেশের এবং রাঙামাটির গর্ব, রাঙ্গামাটিতে সকলে মিলেমিশে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখলে আরও তরুণ খেলোয়াড় উঠে আসবে।

আরো উপস্থিত রাঙামাটির জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোশাররফ হোসেন খান জানান, এবং যথাযথ কর্তৃপক্ষকেও জানানোর মাধ্যমে ফুটবলারদের সব সমস্যার সমাধানে প্রশাসন কাজ করবে।

উক্ত অনুষ্ঠানে প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ছাড়াও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা ও বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

আরো পড়ুন>>>১৫ বছর পর বান্দরবানে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত