তিনি ১২ বছর ধরে ওই বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করছেন এবং প্রধান শিক্ষক ছিলেন।তার বাড়ি চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলায়।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ধর্ষিতা ওই ছাত্রীসহ একই বিদ্যালয়ের আরও কয়েকজন ছাত্রী ওই প্রধান শিক্ষকের কাছে প্রাইভেট পড়তো। প্রাইভেট পড়ানো শেষে সবাইকে ছুটি দিলেও কাজের অজুহাতে ওই ছাত্রীকে রেখে দেন।
একসময় সুযোগ বুঝে ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ করেন এবং সে ধর্ষণের ভিডিও চিত্র ধারণ করে রাখেন। ওই ধর্ষিতা ছাত্রী লজ্জায় বিষয়টি কাউকে বলতে পারছিলোনা।
ঘটনার পর থেকে বিভিন্ন সময় ওই ছাত্রীকে ফোন করে ও ফেসবুক ম্যাসেঞ্জারে অনৈতিক কাজের প্রস্তাব দিয়ে বাসায় যেতে বলেন প্রধান শিক্ষক। ওই ছাত্রী যেতে অসম্মতি জানালে তার ম্যাসেঞ্জারে ধারণ করা ধর্ষণের ভিডিও চিত্র পাঠিয়ে দেন এবং বিভিন্ন রকম ভয়-ভীতি দেখাতে। ওই ছাত্রী নিরুপায় হয়ে বিষয়টি তার বড় বোনের কাছে জানায়।
এদিকে বিষয়টি জানার পর ওই ছাত্রীর বড় বোন বাদী হয়ে রুমা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ও পর্ণোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করেন। এরপরই পুলিশ অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত ধর্ষক প্রধান শিক্ষককে গ্রেপ্তার করে।
রুমা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: আবুল কাশেম জানিয়েছেন, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ও পর্ণোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় ওই অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক সমর কান্তি দত্তকে গ্রেপ্তার করে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।


