1. soccergames24@gmail.com : babul khan : babul khan
  2. paharkantho2024@gmail.com : Sm Nasim : Sm Nasim
  3. 1234567889@gmail.com : Khaled Mahabub Khan Arafat : Khaled Mahabub Khan Arafat
  4. shebabslinfg@gmail.com : Babul Khan : Babul Khan
  5. mhkbkhan@gmail.com : Mahabub Hassan Khan : Mahabub Hassan Khan
ঢামেকের করোনা ইউনিটে ৫৪ দিনে ৭৭১ জনের মৃত্যু - paharkantho
রবিবার, ০৭ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৭:০২ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
বান্দরবানে সাংবাদিকদের সথে এনসিপির নবগঠিত কমিটির মতবিনিময় পার্বত্য চুক্তি বাস্তবায়নের দাবিতে নাইক্ষ্যংছড়িতে র‌্যালি–সমাবেশ থানচিতে নতুন বাস টার্মিনাল চালু যাত্রীসেবার নতুন সম্ভাবনা বাস্তবায়নের দাবি নিয়ে বান্দরবানে পার্বত্য চুক্তির ২৮তম বর্ষপূর্তি পালন রুমায় সহকারী শিক্ষা অফিসারের দুই পদ শূন্য: তদারকি–শৃঙ্খলায় স্থবিরতা রুমায় দুলাচান পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক অনুপস্থিত, পাঠদানে অনিয়মের অভিযোগ রেইচা আর্মি চেকপোস্টে সেনাবাহিনী কর্তৃক ৬ রোহিঙ্গা আটক থানচিতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে বিএনপি’র র‍্যালি ও আলোচনা সভা বান্দরবানের থানচিতে জাতীয় সমবায় দিবস পালিত বান্দরবানে আন্তর্জাতিক গ্রামীণ নারী দিবস উদযাপন
বিজ্ঞপ্তি
paharkantho.com আপনাকে স্বাগতম 🤗...

ঢামেকের করোনা ইউনিটে ৫৪ দিনে ৭৭১ জনের মৃত্যু

পাহাড় কণ্ঠ ডেস্ক
  • প্রকাশিতঃ শনিবার, ২৭ জুন, ২০২০

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের করোনা ইউনিট চালুর পর থেকে গড়ে প্রতিদিন ১৪ জন করে রোগী মারা যাচ্ছেন। করোনা ও করোনার উপসর্গ নিয়ে ৫৪ দিনে ৭৭১ জনের মৃত্যু হয়েছে

হাসপাতালের মর্গসূত্রে জানা গেছে, গত ২রা মে হাসপাতালটিতে করোনা ইউনিট চালু করার পর থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত মৃত্যুবরণ করেছেন ৭৭১ জন রোগী। যাদের মধ্যে ১৭৩ জনের শরীরে করোনা সংক্রমণ ছিল। বাকিরা উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন।

যারা মারা গেছেন তারা করোনা ইউনিটে ভর্তির ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই মৃত্যুবরণ করেছেন।

করোনা ইউনিটে ২২ জুন পর্যন্ত চিকিৎসা নিতে ভর্তি হয়েছেন ৩ হাজার ৩৭০ জন রোগী। এরমধ্যে ১ হাজার ৩৪০ জন রোগী করোনা সংক্রমিত ছিলেন। ভর্তি রোগীর সঙ্গে মৃত্যুর পর্যালোচনায় দেখা যায় ২১ শতাংশের বেশি রোগী মৃত্যুবরণ করেছেন।

এছাড়া অভিযোগ রয়েছে, উপসর্গ আছে এমন অনেক রোগীদের করোনা পরীক্ষা মৃত্যুর আগে পরে করা হয় না। শুধুমাত্র চিকিৎসকদের পরামর্শ মতেই মৃত ব্যক্তির করোনা পরীক্ষা করা হয়।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, করোনা ইউনিটে চিকিৎসা নিতে আসা বেশিরভাগ রোগীই সঙ্কটাপন্ন অবস্থায় আসেন। যাদের অবস্থা এতটাই খারাপ থাকে আইসিইউ সাপোর্ট দিয়ে তাদেরকে বাঁচানো সম্ভব না। অনেকেরই আবার পুরাতন শ্বাসকষ্ট, কিডনি, হার্ট ও ডায়বেটিকসের সমস্যা ছিল। যাদেরকে হয়তো আরো আগে থেকে আইসিইউ সাপোর্ট দিলে বাঁচানো যেত।

কর্তৃপক্ষ এও দাবি করছেন, ঢাকা মেডিকেলে কোভিড ও নন কোভিড উভয় রোগীরা দেশের দুরদুরান্তের বিভিন্ন অঞ্চলের বিভিন্ন হাসপাতাল ঘুরে প্রায় মৃত্যু অবস্থায় এখানে আনা হয়। কিছু রোগীরা হাসপাতালে পৌঁছার পরপরই মারা যান।

হাসপাতালের করোনা ইউনিট-১ ও ২ মিলিয়ে মোট ৮২০টি করোনা শয্যার বিপরীতে মোট আইসিইউ ও এইচডিইউ সাপোর্ট রয়েছে ৪২টি। সেন্ট্রাল অক্সিজেন দিয়েই ৮২০ জন রোগীর চিকিৎসা চলছে এখানে।

যদিও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ দাবি করছে সেন্ট্রাল অক্সিজেনের পাশাপাশি কয়েকটি হাই ফ্লো ন্যাজাল ক্যানোলার ব্যবস্থা আছে। সেগুলোতে ক্যানোলা যুক্ত করে অক্সিজেন দেয়া হচ্ছে।

call now: 01872-699800

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আর নিউজ
© All rights reserved ©paharkantho.com-২০১৭-২০২৫
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: JPHOSTBD
jp-354c8c03daee477a362a