বান্দরবান মাহিন্দ্র মিনি জীপের ধাক্কায় মোটরসাইকেল ক্ষতিগ্রস্থ হওয়াকে কেন্দ্র করে উল্টো সংঘবদ্ধ ভাবে আক্রমণের অভিযোগ উঠেছে।গতকাল সোমবার বিকালে পর্যটন কেন্দ্র নীলাচল সড়কের টাইগার পাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।
তিনি জানিয়েছেন, গতকাল সন্ধায় শহরের নিলাচল সড়কে টাইগার পাড়া এলাকায় চার চাকা চালিত মাহিন্দ্রা (চাদের গাড়ি) চালক উশৃংখল ভাবে তিনজনকে মারধর করেছে। সে প্রেক্ষিতে গতকাল রাতে সদর থানায় অভিযোগ দায়ের করছেন আহত ব্যাক্তিরা।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, নীলাচল সড়কের টাইগার পাড়ায় বট গাছের নিচে মোটরসাইকেলটি রাস্তার পাশে পার্কিং অবস্থায় ছিল। ইউসুফ নামের মাহিন্দ্রা (চান্দের গাড়ি) চালক গাড়িটি ঘুরাতে গিয়ে পার্কিং করা অবস্থায় থাকা মোটরসাইকেলটির পিছনে ধাক্কা দেয়। মোটরসাইকেলটির পিছনের অংশ দূমড়ে-মুচড়ে যায়।
পরে মোটরসাইকেল মালিক শচীন তংঞ্চগ্যাঁ ক্ষতিপূরন চাইতে গেলে তাকে অকথ্য ভাষায় গালাগালি ও হুমকি দিয়ে ড্রাইভার ইউসুফ যাত্রী নিয়ে বান্দরবানের শহরের উদ্দেশ্য রওনা দেয়।
ঘটনার ঘন্টা খানেক পর ইউসুফের নেতৃত্বে সংঘবদ্ধ হয়ে দুই মাহিন্দ্রা মিনি জীপ ভর্তি আনুমানিক ২৫-২৮ জন অজ্ঞাত লোক ঘটনাস্থলে এসে অতর্কিত মোটরসাইকেলের মালিকসহ উপস্থিত দুইজনকে মারধর করে।ঘটনাস্থলে আহত হয় হন-সব না অং তংঞ্চগ্যাঁর মেয়ে শ্যামলী তঞ্চগ্যা, কমল তংঞ্চগ্যাঁ দুই ছেলে শচীন ও দিলিপ তংঞ্চগ্যাঁ এবং রাসেল নামে অপর একজন আহত হয়।রাসেল ও দিলিপ তংঞ্চগ্যাঁ গুরুতর আহত হওয়ায় তাঁদের বান্দরবান সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
টাইগার পাড়া এলাকার না অং তংঞ্চগ্যাঁর মেয়ে শ্যামলী তংঞ্চগ্যাঁ বলেন, চালক ইউসুফ তাঁর দলবল মিলে শচীন ও দিলিপ তংঞ্চগ্যাঁকে এলোপাতাড়ি মারধর করে। ঐ সময় রাসেল বাধা দিতে গেলে ওই মূহুর্তে আমার উপরও চড়াও হয়ে আমার জামা কাপড় ছিড়ে আমাকে শারীরিক নির্যাতন করে। এসময় আমার কোলে তিন মাসের নবজাতক সন্তান ছিল।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত মো.ইউসুফকে তাঁর মুঠোফোনে একাধিকবার কল দিলে তিনি রিসিভ করেনি।
বান্দরবান জীপ মাইক্রোবাস চালক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. কামাল জানান, মারামারির ঘটনাটি শুনেছি এবং ইউসুফের ভাইসহ আহতদের দেখতে হাসপাতালে যাচ্ছি।
বান্দরবান সদর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) কানন চৌধুরী জানান, ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন,অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনাটি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।


