Logo
বাংলাদেশ[bangla_day] , [english_date]
  1. অনিয়ম
  2. অপরাধ
  3. অপহরণ
  4. অর্থনীতি
  5. আইন শৃঙ্খলা
  6. আইন-আদালত
  7. আওয়ামীলীগ
  8. আন্তর্জাতিক
  9. আলীকদম
  10. ইতিহাস ও গল্প

বান্দরবানে পর্যটক ভ্রমণে বিধি নিষেধের বিপক্ষে অবস্থান করছেন ব্যবসায়ীরা

ডেস্ক নিউজ
আপডেট : October 7, 2024
Link Copied!

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ খাগড়াছড়ি ও রাঙ্গামাটিতে চলা সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার কারণে অস্থিতিশীল পরিবেশ বিরাজ করায় আগামী ৮ অক্টোবর থেকে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত তিন পার্বত্য জেলা বান্দরবান, রাঙ্গামাটি,খাগড়াছড়িতে পর্যটকদের ভ্রমণ না করার অনুরোধ জানিয়েছেন তিন পার্বত্য জেলা প্রশাসন। (৬ অক্টোবর) রোববার বিকেলে সাংবাদিকদের পাঠানো এক বার্তায় এই নির্দেশনার কথা জানান জেলা প্রশাসন।

এই বিধি নিষেধের কারণে হতাশা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে স্থানীয় পর্যটন ব্যবসায়ীরা। ৭ অক্টোবর সোমবার বিকালে বান্দরবান প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সন্মেলনে এই সাংবাদিকদের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবি জানান বান্দরবান পর্যটন ব্যবসায়ি সমন্বয় পরিষদ।

এসময় বক্তব্য রাখেন, বান্দরবান পর্যটন ব্যবসায়ি সমন্বয় পরিষদের আহ্বায়ক নাছিরুল আলম, সদস্য সচিব সিরাজুল ইসলাম, জসিম উদ্দিন, জাকির প্রমুখ।

এ সময় উক্ত সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান জেলার ইলেকট্রিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকরা।

বক্তারা বলেন বিগত ২০১৯ সাল থেকে করোনা ভাইরাস, তারপর ভয়াবহ বন্যা,পাহাড়ের বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন কুকি চিন এর সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের পরিপ্রেক্ষিতে প্রায় সময় ধরে পর্যটন স্পটগুলোতে পর্যটকদের ভ্রমনে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছিল এর কারণে এখন আর আগের মতো পর্যটক এর আনাগোনা নেই বললেই চলে বান্দরবানে। এখন পর্যটকরা আসতে দ্বিধাবোধ করে। হোটেল রিসোর্ট, রেষ্টুরেন্ট, পর্যটকবাহী যানবাহনসহ বিভিন্ন খাতে আমাদের কোটি-কোটি টাকা বিনিয়োগ করা আছে। বিগত ২০১৯ সাল থেকে করোনা ভাইরাস, ভয়াবহ বন্যা, পাহাড়ের বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন কুকি চিন এর সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের পরিপ্রেক্ষিতে পদে পদে পর্যটক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করার কারণে বিপুল অঙ্কের ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছি।

দেশের বিরাজমান রাজনৈতিক অস্থিতিশীল পরিস্থিতির কারণে কিছুদিন আগে সীমিত পরিসরে কিছু পর্যটন স্পট পর্যটকদের ভ্রমনের জন্য খুলে দিলেও কাঙ্খিত পর্যটক ভ্রমনে আসতে পারেন নি। এই কারণে অনেক ক্ষতি হয়েছে পর্যটন ব্যবসায়ীদের। এসব খাতে জড়িত কর্মীরা বেকার হয়ে পড়েছে ও চাকরি হারিয়েছে।

এসময় তারা আরো বলেন, অনিবার্য কারণ দেখিয়ে বান্দরবানসহ তিন পার্বত্য জেলায় ভ্রমন না করতে পর্যটকদের পরামর্শ দেয়া হয়েছে। ফলে শারদীয় দূর্গাপূজা ও প্রবারণার ছুটিতে প্রায় ৭০% শতাংশ হোটেল, রিসোর্ট বুকিং হওয়ার পরও বাতিল করছেন পর্যটকরা। প্রতি বছর শীতের মৌসুমে সব চেয়ে বেশি পর্যটক বান্দরবান ভ্রমণে আসে, বান্দরবানের অর্ধেক মানুষের একমাত্র আয়ের উৎস পর্যটন খাত। পর্যটন খাত হতে এই অঞ্চলের সকল সম্প্রদায় এর মানুষের অর্থনীতি ও জীবন জীবিকা নির্ভর করে।

এভাবে বছরের পর বছর পর্যটক ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা আরোপ এবং ভ্রমনে নিরুৎসাহিত করার ফলে অর্থনীতির দিক দিয়ে ভেঙে পড়েছে পর্যটন

নির্ভর এ জেলা। এমতাবস্থায়, পর্যটনখাতের সাথে জড়িত ব্যবসায়ীদের বিভিন্ন হোল্ডিং ট্যাক্স, লাইসেন্স ফি, ভ্যাট, আয়কর, ব্যাংক ঋন পরিশোধ করা অসম্ভব হয়ে পড়েছে।

তারা আরো বলেন, অর্থনীতি সচল রাখতে ও ব্যবসায়ীগণ ও পর্যটন সেক্টরে কর্মরত হাজার হাজার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জীবন জীবিকার স্বার্থে বান্দরবান থেকে পর্যটন ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা তুলে দেয়া উচিৎ।