বিশেষ প্রতিবেদকঃ কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার শাপলাপুর ও কালারমার ছড়া পাহাড়ি জনপদে ফের সক্রিয় হয়ে উঠেছে গ্রুপভিত্তিক সন্ত্রাসী কার্যক্রম। এসব অপরাধের নেতৃত্ব দিচ্ছে মানবপাচার, অস্ত্র, মাদক ও ডাকাতিসহ একাধিক মামলার আসামি কুখ্যাত ডাকাত রহমত উল্লাহ ওরফে প্রকৃত ডাকাত রহমত।
স্থানীয় সূত্র জানায়, রহমত উল্লাহ দীর্ঘদিন ধরেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে পাহাড়ি এলাকায় সশস্ত্র সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে। তার নেতৃত্বে এলাকায় খুন, গুম, চাঁদাবাজি, মানবপাচার ও মাদক বাণিজ্যের মতো অপরাধমূলক কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। এতে সাধারণ মানুষ চরমভাবে ভীত-সন্ত্রস্ত হয়ে পড়েছে।
রহমত উল্লাহ মহেশখালীর শাপলাপুর ইউনিয়নের মুকবেকী এলাকার ফিরোজ আহমদের ছেলে। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে মহেশখালী থানায় একাধিক মামলা দায়ের হয়েছে। মামলা গুলো হচ্ছে এফআইআর নং-৩৫/১৫০, তারিখ: ১৮ জুলাই, ২০২০ – অস্ত্র আইন ১৮৭৮। এফআইআর নং-৩৪, তারিখ: ২৬ ডিসেম্বর, ২০১৪ – মানবপাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন ২০১২। এফআইআর নং-৬/১২১, তারিখ: ০৬ জুলাই, ২০২০ – দণ্ডবিধি ১৮৬০ এর বিভিন্ন ধারা।জিডি নং-১৭৪৫, তারিখ: ২৯ নভেম্বর, ২০২২।
স্থানীয়দের অভিযোগ, রহমত উল্লাহ ও তার সহযোগীরা শাপলাপুর ও কালারমার ছড়ার পাহাড়ি জনপদকে সন্ত্রাসের রাজ্যে পরিণত করেছে। দিনের পর দিন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অভিযানে গেলেও রহমত উল্লাহকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়নি। ফলে তার দাপট আরও বেড়েছে।
একাধিক মামলার আসামি ও কুখ্যাত অপরাধী হয়েও রহমত উল্লাহ দীর্ঘদিন ধরে গ্রেফতার এড়িয়ে যাচ্ছে। স্থানীয় সচেতন মহলের প্রশ্ন, রহমতের মতো দাগী অপরাধী কিভাবে বছরের পর বছর ধরে পুলিশের ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে এলাকায় সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করছে?
মহেশখালীর পাহাড়ি জনপদে চলমান অপরাধ দমনে রহমত উল্লাহকে গ্রেফতার করা এখন সময়ের দাবি। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কার্যকর পদক্ষেপ না হলে জনপদে সহিংসতা ও সন্ত্রাস আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে।