
বিশেষ প্রতিবেদন: ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানে আওয়ামিলীগ সরকারের পতন ঘটেছে।বান্দরবান এখনো আওয়ামীলীগ সরকারের সময়ে সুবিধাভোগী'রা বহাল তবিয়তে।সরকার পতনের পর জেলার আওয়ামিলীগের শীর্ষ নেতাদের বিরুদ্ধে মামলা হওয়ায় পালিয়ে আত্মগোপনে চলে যায় বড় বড় রাঘব বোয়াল। আত্মগোপনে থাকা আওয়ামী লীগ নেতাদের সকল কাজের দায়িত্ব নিয়েছন বান্দরবানের আরেক রাঘব বোয়াল ঠিকাদার ইউটি মং।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাদিক সূত্রের তথ্য মতে,হাজার কোটি টাকা লুটপাট করে পালিয়ে আত্মগোপনে থাকা, দুর্নীতিবাজ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টকারী,সাবেক জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এবং জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ক্যশৈহ্লার আস্থাভাজন এবং ঘনিষ্ঠ হওয়ার সুবাদে ক্যশৈহ্লার নির্দেশে বান্দরবান জেলার পলাতক আওয়ামীলীগ নেতাদের অসমাপ্ত সকল কাজের দায়িত্ব নিয়েছেন এই ঠিকাদার এবং প্রতিমাসে মিয়েনমার সীমান্ত এলাকায় যাতায়াত করে সকল খোঁজখবর পৌঁছে দিচ্ছেন এবং নিয়মিত টাকা পাঠাচ্ছেন পালিয়ে আত্মগোপনে থাকা ক্যশৈহ্লার নিকট।
আওয়ামিলীগের আমলে হাজার কোটি টাকার ভ্যাট-ট্যাক্স ফাঁকি দিতে, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর লাইসেন্স ব্যবহার করে আওয়ামিলীগ নেতারা শত শত কোটি টাকার কাজ করতে গড়ে তুলেন সিন্ডিকেট। সিন্ডিকেটের বাইরে কাজ করার সাহস করতো না কেউ। ব্যক্তি পরিবর্তন হলেও পরিবর্তন হয়নি সিন্ডিকেটের কাঠামো।আত্মগোপনে থাকা আওয়ামীলীগ নেতাদের অসমাপ্ত কাজের দায়িত্ব এবং আওয়ামীলীগ নেতাদের তৈরিকৃত সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রণ নেন ঠিকাদার ইউটি মং।
পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড,স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি), সড়ক ও জনপথ বিভাগসহ বিভিন্ন অধিদপ্তরে ইউটি মং এর লাইসেন্সগুলো ব্যবহার হয়ে আসছে দীর্ঘ দুই যুগেরও বেশি সময় ধরে এই সকল প্রতিষ্ঠানের অধিকাংশ কাজ এবং ঠিকাদারি ব্যবসা গুটিকয়েক ঠিকাদারের সমন্বয়ে গঠিত সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রণে। সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রকদের অন্যতম ঠিকাদার ইউটি মং। পার্বত্য বান্দরবান রাঙামাটি ও খাগড়াছড়ি এবং বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকায় কর ফাঁকির সুবিধা নিতে সরকারি সকল ঠিকাদারি কাজ গুলো করেন এই ঠিকাদার।
সূত্রর তথ্য থেকে জানা যায়,বিগত দুই যুগ ধরে আওয়ামী লীগ নেতাদের সাথে মিলেমিশে হাজার কোটি টাকার বিভিন্ন কাজ করা হয়েছে এই লাইসেন্সের নামে। পুরো টেন্ডার প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ,প্রভাবিত করা ও ভ্যাট-ট্যাক্স ফাঁকি দেওয়া তাদের নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছিলো। বর্তমানে একই কৌশলে এই সিন্ডিকেট,ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ঠিকাদারদের লাইসেন্স ব্যবহার করেই এভাবে ভ্যাট-ট্যাক্স ফাঁকি দিতে নতুন করে সংগঠিত হয়েছে।
একাদিক সাধারণ ঠিকাদার বলেন, বান্দরবানে শতাধিক লাইসেন্স থাকলেও শুধু সিন্ডিকেটের সদস্য ঠিকাদাররাই কাজ পান। সিন্ডিকেটের বাইরের থাকা ঠিকাদারদের কাজ দেওয়া হয় না।সিন্ডিকেটের বাইরে কাজ পাওয়ার সুযোগ নেই। সিন্ডিকেটের সঙ্গে জড়িত সংশ্লিষ্ট অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও। এই সকল অনিয়মের কারণে ঠিকাদারদের মধ্যে দিন দিন বাড়ছে ক্ষোভ। এই সকল দুর্নীতিবাজদের, সকল অনৈতিক কর্মকাণ্ড বন্ধ করে সকল ঠিকাদারদের কাজে সুযোগ সৃষ্টি করার দাবি জানান।
এবিষয়ে ঠিকাদার ইউটি মং এর সাথে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তা সম্ভব হয়নি। ওনার মেটোফোন কল দিলে তিনি কল রিসিভ করেনি। তাই উনার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
>>>অসতর্কতায় প্রাকৃতিক দূর্যোগে ক্ষতি বেশি হয়: ফায়ার সার্ভিস উপ-পরিচালক পূর্ণচন্দ্র মুৎসুদ্দি
উপদেষ্টাঃ কে এস মং
প্রকাশক: মাহাবুব হাসান খাঁন বাবুল
সম্পাদকঃ এস এম নাসিম
বার্তা সম্পাদকঃ খালেদ মাহাবুব খাঁন আরাফাত
যোগাযোগঃ বান্দরবান সদর, বান্দরবান পার্বত্য জেলা।
ইমেইলঃ newspaharkantho@gmail.com
মোবাইলঃ ০১৮২৬১৬১০৯৮,০১৭৪৯৬৪৮৬৮৬
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০১৯-২০২৬