বান্দরবান পৌরসভার হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা নুরুল আমিন চৌধুরী বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়ম, ঘুষ গ্রহণ ও প্রশাসনিক বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অভিযোগ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে স্থানীয় সরকার বিভাগ। অভিযোগগুলো সরেজমিন তদন্ত করে সুস্পষ্ট মতামতসহ প্রতিবেদন জমা দিতে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের পরিচালককে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
গত ২৮ অক্টোবর স্থানীয় সরকার বিভাগের পৌর-১ শাখা থেকে এ-সংক্রান্ত একটি চিঠি জারি করা হয়। উপসচিব নুঝাত ফারহীনের স্বাক্ষরিত ওই চিঠিতে অভিযোগগুলো তদন্ত করে প্রতিবেদন পাঠানোর অনুরোধ জানানো হয়েছে।
চিঠিতে উল্লেখ করা অভিযোগগুলোর মধ্যে রয়েছে, বান্দরবান চেম্বার অব কমার্সের সদস্য না হয়েও ঠিকাদার ও ব্যবসায়ীদের ট্রেড লাইসেন্স প্রদান, পৌরসভায় চাকরি দেওয়ার নামে প্রায় ৫০ জনের কাছ থেকে দুই লাখ টাকার বেশি করে ঘুষ গ্রহণ এবং পৌরসভার ৫০ জন কর্মচারীর যাতায়াতের জন্য সাইকেল না কিনে বরাদ্দের টাকা আত্মসাৎ। এ ছাড়া তাঁর বিরুদ্ধে অন্যান্য আর্থিক অনিয়ম ও প্রশাসনিক বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অভিযোগও আনা হয়েছে।
স্থানীয় সরকার বিভাগের চিঠিতে বলা হয়, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক), ঢাকা থেকে ২০১৮ সালের ১৪ অক্টোবর পাওয়া একটি চিঠি এবং পৌরসভার কর্মচারীদের পক্ষে এস এম জামাল উদ্দিনের ২০১৫ সালের ১২ নভেম্বর করা আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এসব অভিযোগ উত্থাপিত হয়েছে।
এ অবস্থায় অভিযোগগুলোর বিষয়ে সরেজমিন তদন্ত করে সুস্পষ্ট মতামতসহ প্রতিবেদন পাঠানোর জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
তবে চিঠিতে উল্লিখিত অভিযোগগুলোর বিষয়ে পৌরসভার হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা নুরুল আমিন চৌধুরীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাঁর বক্তব্য পাওয়া গেলে প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে।