রাঙামাটির স্বর্ণটিলা পশ্চিমপাড়া যুব সমাজের উদ্যোগে আয়োজিত দ্বিতীয় নূরানী ওয়াজ ও মিলাদ মাহফিলে প্রধান বক্তা মাওলানা এনায়েত উল্লাহ খান কাদেরী হুজুরের বয়ান শুনে মুগ্ধতা ও ভালোবাসা প্রকাশ করেছেন একজন সনাতন ধর্মাবলম্বী ব্যক্তি। ঘটনাটি স্থানীয় পর্যায়ে ধর্মীয় সম্প্রীতি ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার একটি উল্লেখযোগ্য দৃষ্টান্ত হিসেবে উঠে এসেছে।
শনিবার (১০ অক্টোবর) বাদ মাগরিব স্বর্ণটিলা পশ্চিমপাড়ায় এ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান বক্তা হিসেবে বয়ান করেন মাওলানা এনায়েত উল্লাহ খান কাদেরী হুজুর। তিনি চট্টগ্রামের কাদেরিয়া হোসাইনিয়া চিশতিয়া দরবার শরীফের পীরজাদা।
মাহফিলে তাঁর বয়ান শুনে ওই সনাতন ধর্মাবলম্বী ব্যক্তি মুগ্ধতা ও ভালোবাসা প্রকাশ করেন। ভিন্ন ধর্মের একজন ব্যক্তির এমন প্রতিক্রিয়া ধর্মীয় বিশ্বাসের ভিন্নতা সত্ত্বেও মানুষের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও আন্তরিকতার বিষয়টি তুলে ধরে।
বহুধর্মীয় মানুষের বসবাস স্বর্ণটিলায় বিভিন্ন ধর্মীয় আয়োজন সামাজিক সহাবস্থান ও পারস্পরিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ধর্মীয় বিশ্বাস ও উপাসনার পদ্ধতি আলাদা হলেও একে অপরের প্রতি সম্মান প্রদর্শন সামাজিক সম্প্রীতি বজায় রাখতে সহায়ক।
স্বর্ণটিলা পশ্চিমপাড়া যুব সমাজের এ আয়োজনের মধ্য দিয়ে ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ, বয়ান শোনা এবং ভিন্ন ধর্মের মানুষের অনুভূতি প্রকাশের একটি ঘটনা সামনে এসেছে। ঘটনাটি স্থানীয় পর্যায়ে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সম্প্রীতির আলোচনায় গুরুত্ব বহন করে।
ধর্মীয় পরিচয় ভিন্ন হলেও পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহনশীলতা ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক একটি বহুধর্মীয় সমাজের সম্প্রীতি বজায় রাখার অন্যতম ভিত্তি।