কক্সবাজারের চকরিয়ায় যাত্রীবাহী লোকাল বাসে তল্লাশি চালিয়ে ৯ হাজার ৯০০ পিস ইয়াবাসহ দুই রোহিঙ্গা মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-১৫।
সোমবার (৩১ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে চকরিয়া উপজেলার বরইতলী ইউনিয়নের দরগাপাড়া এলাকার কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সোনাইছড়ি ব্রিজ সংলগ্ন চেকপোস্টে এ অভিযান চালানো হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্প-১-এর (ব্লক-এফ/৫) নবী হোসেনের ছেলে হাফিজুল হক (২৪) এবং একই ক্যাম্পের (ব্লক-ই/৮) আবুল বাশারের ছেলে মুর্শিদ আলম (২৫)।
র্যাব-১৫ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রোহিঙ্গা ক্যাম্পের একটি চক্র বড় ধরনের মাদকের চালান নিয়ে কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়ক দিয়ে যাতায়াত করছে—এমন তথ্য পায় র্যাবের একটি আভিযানিক দল। পরে সোনাইছড়ি ব্রিজ এলাকায় চেকপোস্ট বসিয়ে যানবাহনে তল্লাশি শুরু করা হয়।
এরই ধারাবাহিকতায় চট্টগ্রামগামী ‘ঈগল পরিবহন’ নামের একটি লোকাল বাসে তল্লাশির সময় দুই যাত্রীর গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হলে তাদের দেহ ও সঙ্গে থাকা ব্যাগ তল্লাশি করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে ৯ হাজার ৯০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, মাদক বিক্রির নগদ ২ হাজার ৭০০ টাকা এবং যোগাযোগের কাজে ব্যবহৃত তিনটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।
র্যাবের দাবি, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা দীর্ঘদিন ধরে রোহিঙ্গা ক্যাম্পের আড়ালে কক্সবাজারের সীমান্তবর্তী বিভিন্ন এলাকা থেকে ইয়াবা সংগ্রহ করে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পাচার করে আসছিলেন বলে স্বীকার করেছেন।
পরে জব্দ করা ইয়াবা ও অন্যান্য আলামতসহ গ্রেপ্তার দুজনের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা করে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাদের চকরিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র্যাব-১৫।