​সবুজ পাহাড়ের বুকে যে মানুষ বুনেছিল দ্রোহের আগুন,

টিলার ভাঁজে ভাঁজে এনেছিল অধিকারের ফাগুন;

যিনি জুমের মাটিতে এঁকেছেন এক নতুন ভোরের ছবি,

তিনি আমাদের কে এস মং— পাহাড়ের এক দীপ্ত রবি।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সেই চঞ্চল প্রাঙ্গণ থেকে,

মেধার আলোয় যিনি পথ চিনেছিলেন সগৌরবে ডেকে।

শহুরে আয়েশ ছেড়ে,চশমার দীপ্ত চাউনিতে,

ফিরে এসেছিলেন স্বজাতির ক্রন্দন আর আর্তনাদ থামাতে।

আঞ্চলিক পরিষদের চেয়ারে বসে গেয়েছেন সাম্যের গান,

পাহাড়ি-বাঙালির বুকে বুনেছেন শান্তির এক নতুন আখ্যান।

অধিকারের লড়াইয়ে যিনি কখনো করেননি পিছুটান,

পাহাড়ের প্রতিটি ধূলিকণায় মিশে আছে তাঁরই জয়গান।

​কখনো জুমের জঙ্গল,কখনো মেঘের মায়াবী ছায়া,

পাহাড়ের মানুষের চোখে তিনি আশার এক মায়া।

নিপীড়ন আর শোষণের বিরুদ্ধে যিনি তুলেছেন তর্জনী,

তাঁর সাহসেই তো জেগে ওঠে পাহাড়ের তরুণ সমাজ।

হে মহান নেতা,তুমি নও শুধু কোনো এক নাম,

তুমিতো পাহাড়ের প্রতিটি সংগ্রামী মানুষের শেষ আশ্রয়ধাম।

তোমার চেতনা বেঁচে থাক চিলড্রেন-মারমাদের কলতানে,

তুমি অমর হয়ে রবে এই পাহাড়ের  প্রতিটি মানুষের মনে।

আরও  পড়ুন: পাহাড়ের বুক জুড়ে কুয়াশার ছায়া